নর্থ কোরিয়ায় বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৩৩ এ দাঁড়িয়েছে। নিখোঁজ রয়েছে প্রায় ৪শ’ জন। নিহত ও নিখোঁজের সংখ্যা সরকারের বরাতে নিশ্চিত করেছে জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক রেডক্রস।
বন্যা কবলিত এলাকাগুলোতে চলছে তীব্র খাদ্য সঙ্কট। এই অবস্থায় বিদেশি ত্রাণের ওপর খুব বেশি নির্ভর করতে হচ্ছে সরকারকে। তবে শুক্রবার পঞ্চম এবং এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় নিউক্লিয়ার পরীক্ষাটি চালানোর পর এখনো এ নিয়ে তীব্র বৈশ্বিক সমালোচনার মুখে আছে নর্থ কোরিয়া। পরীক্ষাটির সূত্র ধরে দেশটির ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গত ৩০ আগস্ট তাইফুন লায়নরক উত্তরপূর্ব এশিয়ায় আঘাত হানার ফলে নর্থ কোরিয়া এই বন্যার শিকার হয়। বন্যায় বহু ঘরবাড়ি ও ফসলের মাঠ ধ্বংস হয়ে গেছে।
উদ্ধারকর্মীরা উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তবে দুর্গম এলাকাগুলো বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সবচেয়ে বেশি। আর সেই এলাকাগুলোতেই উদ্ধারকর্মীরা পৌঁছাতে পারছে না। মুসান এবং ইয়োনসা প্রদেশের বেশ কিছু এলাকা বন্যার তোড়ে পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।
জাতিসংঘের অফিস ফর দ্য কো-অর্ডিনেশন অব হিউম্যানিটেরিয়ান অ্যাফেয়ারস জানিয়েছে, নর্থ কোরিয়ায় কমপক্ষে ১ লাখ ৪০ হাজার মানুষের জরুরি ভিত্তিতে সহায়তা প্রয়োজন। দেশটিতে কর্মরত জাতিসংঘের মুরাট সাহিনের মতে, বিপর্যয়টির তীব্রতার মাত্রা ‘স্থানীয় কর্মকর্তাদের এতদিনের অভিজ্ঞতার চেয়েও অনেক ব্যাপক’।
বন্যার ফলাফল প্রাথমিকভাবে যা ধারণা করা হয়েছিল তার চেয়ে অনেক বেশি ব্যাপক এবং ধ্বংসাত্মক হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন পিয়ংইয়াংয়ে আন্তর্জাতিক রেডক্রস প্রধান ক্রিস স্টেইনস।








