শুকনো খাবার সহ ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । তিনি বলেছেন, সরকারের পদক্ষেপের কারণে বন্যায় ক্ষয়-ক্ষতির মাত্রা ভবিষ্যতে কমে আসবে।
‘বন্যপ্রাণী ও পরিবেশ, বাঁচায় প্রকৃতি বাঁচায় দেশ, ‘জীবিকার জন্য গাছ, জীবনের জন্য গাছ’ এমন দুটি শ্লোগানে এবারের বিশ্ব পরিবেশ দিবস, জাতীয় বৃক্ষ রোপন অভিযান এবং পরিবেশ মেলা ও বৃক্ষমেলা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে জাতীয় পরিবেশ পদক, বঙ্গবন্ধু অ্যওয়ার্ড ফর ওয়াইল্ডলাইফ কনজারভেশন এবং বৃক্ষরোপনে প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
পুরস্কার শেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাঝে মাঝে বন্যা খুব বড় আকারে হয়, কাজেই বন্যা দুর্গত মানুষের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়ানোর সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। বন্যা আমাদের যেমন ক্ষতি করে তেমনি উপকারও করে। কারণ আমাদের যে ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নেমে যায় এই বন্যায় সেটা রিচার্জ হয়। তাছাড়া বাংলাদেশ হচ্ছে ব-দ্বীপ অঞ্চল। বন্যায় ব-দ্বীপের ভূমিও অাবার পুর্নগঠন করে।
বন্যায় মানুষের ক্ষতিটা যেন না হয় তার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, বন্যায় যেন ক্ষতি কম হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে নদীগুলো ডেজিং করা, পানির ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা, সেখানে বন্যা হলে বন্যার জন্য জায়গা রাখা এবং তার প্রবাহ যেন ঠিক থাকে এই ধরণের ব্যবস্থার কর্মসূচি ইতিমধ্যে সরকার হাতে নিয়েছে।
হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি শিল্প দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার কথাও বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ট্রাস্ট গঠনের উদাহরণ টেনে প্রধানমন্ত্রী পরিবেশ রক্ষায় যার যার দায়িত্ব পালনের ওপর জোর দেন।










