দেশের কয়েকটি জেলায় বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। কুড়িগ্রাম,
গাইবান্ধা জামালপুর ও সিরাজগঞ্জে আট লক্ষাধিক মানুষ বন্যার পানিতে আটকা
পড়েছেন। ওইসব এলাকায় দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি ও খাবার সংকট।
কুড়িগ্রামে ধরলার নদীর পানি সেতু পয়েন্টে বিপদসীমার ১শ’ সেন্টিমিটার ও ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারীতে বিপদসীমার ৭৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
সরকারী হিসাবে, জেলায় ১লাখ ১০ হাজার ৪শ’ ৭৬ পরিবারের ৪ লাখ ২৯ হাজার ৪শ’ ৮৫ জন মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। বন্যার পানিতে তলিয়ে থাকায় ৯ উপজেলার ৪শ কিলোমিটার কাঁচা সড়ক ও ৫০ কিলোমিটার পাকা সড়ক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে ২শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

গাইবান্ধার সাঘাটা, ফুলছড়ি, সুন্দরগঞ্জ ও সদর উপজেলার ২৭টি ইউনিয়নের ১শ’৭৩টি গ্রাম বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় দেড় লাখ মানুষ। বন্যা কবলিত এলাকায় নলকূপগুলো ডুবে যাওয়ায় দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট।

জামালপুরের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে লক্ষাধিক মানুষ। গত কয়েক দিনে যমুনা নদীর পানির তীব্র স্রোতে ইসলামপুর উপজেলার ২ টি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙ্গে নতুন নতুন এলাকা বন্যা কবলিত হয়েছে।

সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি বাড়ছেই। প্লাবিত হয়েছে জেলার ৫টি উপজেলার ৩৫টি ইউনিয়নের চরাঞ্চল ও নিম্মাঞ্চলের বেশ কয়েকটি গ্রাম। পানিতে আটকা পড়েছে লক্ষাধিক মানুষ। বন্যা কবলিত এলাকায় দেখা দিচ্ছে বিশুদ্ধ খাবার ও পানির সংকট।
সুনামগঞ্জে সুরুমা নদীর পানি বিপদ সীমার ৬৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে। বন্যাকবলিত হয়েছে লক্ষধিক মানুষ।








