এক বন্ধুর অপরাধের শাস্তি পেলেন আরেক বন্ধু। হোটেল রুমে বন্ধুর ধর্ষণের ঘটনায় ছয়টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে নিষিদ্ধ হয়েছেন শ্রীলঙ্কার ওপেনার ধানুস্কা গুনাথিলাকা। যদিও অফিশিয়ালি নিষেধাজ্ঞার কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে ‘খেলোয়াড়দের আচরণবিধি ভঙ্গের দায়’কে।
কলম্বোয় সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট চলার সময় একই হোটেলে এক বিদেশিকে ধর্ষণ করে গুনাথিলাকার এক বন্ধু। গুনাথিলাকার সাথে পরিচয়ের সূত্র ধরেই ওই নারী হোটেলে এসেছিলেন বলে জানা গেছে। তাই শাস্তির খড়গটা তার ওপরই নেমেছে।
এবারের আচরণবিধি ভঙ্গের জন্য তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন গুনাথিলাকা। বাকি ম্যাচগুলোর নিষেধাজ্ঞা যোগ হয়েছে ২০১৭ সালের অক্টোবর থেকে এক বছরের জন্য স্থগিত রাখা তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা থেকে। সব মিলে ছয়টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ মাঠের বাইরে থাকতে হবে তাকে।
গত বছর শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনায় প্রাথমিকভাবে ছয় ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছিল এই ব্যাটসম্যানকে। পরে সেটা কমিয়ে আনা হয় তিন ম্যাচে। সেইসঙ্গে তার বার্ষিক চুক্তির ফি’রও ২০ ভাগ জরিমানা করা হয়। অন্য তিন ম্যাচে ছিল এক বছরের স্থগিত নিষেধাজ্ঞা।
এবারের ঘটনাটি খুবই স্পর্শকারত বিধায় বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়েছে লঙ্কান ক্রিকেট বোর্ড। মনে করা হচ্ছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে গুনাথিলাকাই ওই নারী এবং তার এক বান্ধবীকে হোটেলে নিয়ে গিয়েছিলেন। তারপর তাকে ধর্ষণ করে সটকে পড়ে লঙ্কান ক্রিকেটারের বন্ধু। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে যদিও গুনাথিলাকা নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেছেন। তার দাবি, ঘটনার সময় হোটেল রুমে ঘুমিয়ে ছিলেন তিনি।
ঘটনার রাতে একই হোটেলে ছিলেন ওই বন্ধু ও গুনাথিলাকা। যদিও গুনাথিকালার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করেননি সেই নারী। তবুও শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড তাকে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বরখাস্ত করেছিল।
২৭ বছরের গুনাথিলাকার ২৬ বছরের বন্ধুর নাম জানানো হয়নি। তবে তিনি ব্রিটিশ পাসপোর্টধারী শ্রীলঙ্কান বংশোদ্ভূত।








