রাজধানীর বনানীর রেইন ট্রি হোটেলে দুই ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় রোববার রাত ৮টার দিকে গুলশানে একজন ভিকটিমের বাসায় দুই যুবকের ঢোকার চেষ্টায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে ভিকটিমসহ স্বজনেরা।
জানা যায়, বনানীর একজন ভিকটিমের বাসায় ডিবি পরিচয়ে দুইজন অস্ত্রধারী জোর করে ঢুকতে চায়, পরে তারা দারোয়ানকে মারধর করে পালিয়ে যায়।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন: ব্যাপারটা আংশিক সত্য আর আংশিক মিথ্যা। পুলিশ অথবা ডিবি পুলিশ পরিচয়ে দুই যুবক মোটর বাইকে গুলশানের একজন ভিকটিমের বাসায় যায়। সেখানে তারা দারোয়ানকে পরিচয় দিলে, দারোয়ান ইন্টারকমে ভিকটিমের সঙ্গে কথা বলে।ভিকটিম ওই দুই যুবকের সঙ্গে কথা ও দেখা করবেন না বলে জানালে তারা চলে যায়।
অস্ত্রধারী কেউ কিংবা দারোয়ানকে মারধর করার মতো কোনো ঘটনা ঘটে নি বলে জানান গুলশান থানার ওসি।
তবে এমন স্পর্শকাতর বিষয়ে ভিকটিমের নিরাপত্তায় কেন পুলিশি ব্যবস্থা থাকছে না জানতে চাইলে গুলশানের ওসি জানান, দুই যুবকের পুলিশ পরিচয়ে বাসায় ঢোকার খবর জানার পর থেকেই ভিকটিমের বাসায় পুলিশি নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে এবং পুলিশ ভিকটিমের বাসার আশেপাশে অবস্থান করছে।
গত ২৮ মার্চ বনানীর রেইনট্রি হোটেলে জন্মদিনের অনুষ্ঠানে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করা হয় দুই বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে। পুলিশ প্রথমে মামলা নিতে না চাইলেও পরে ৬ মে মামলা গ্রহণ করে। এরপর বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে ক্ষোভে ফেটে পড়ে সারা দেশ। ধর্ষকদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে বিবৃতি ও কর্মসূচি পালন করা হয়।
পরে ধর্ষণের ঘটনায় আসামি সাফাত আহমেদ ও সাদমান সাকিবকে বৃহস্পতিবার রাত সোয়া নয়টায় সিলেটের জালালালাবাদ থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বর্তমানে তারা রিমান্ডে রয়েছে।







