সাবেক গোলকিপার অলিভার কান বায়ার্ন মিউনিখের ভবিষ্যতে সিইও হচ্ছেন। বর্তমান সিইও কিংবদন্তি ফুটবলার কার্ল হেইঞ্জ রুমেনিগের সঙ্গে ক্লাবের চুক্তি ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ২০২২ সাল থেকেই কানের হাতেই চলে যাবে বায়ার্নের রাশ। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে তিনি ক্লাবের বোর্ডে যোগ দেবেন।
বায়ার্ন প্রেসিডেন্ট ও সাবেক বিশ্বকাপার উলি হোয়েনেস নিজেও সামনের বছর দায়িত্ব ছাড়তে যাচ্ছেন। কারণ ক্লাবের শেষ বার্ষিক সভায় তাকে নিয়ে বহু প্রশ্ন উঠেছে। তাই তিনি আর থাকতেও চান না। তার জায়গায় ক্লাব প্রেসিডেন্ট হওয়ার কথা অ্যাডিডাস কোম্পানির সাবেক সিইও হারবার্ট হেইনারের। বড় পরিবর্তনের পথে বিশ্বের অন্যতম এই ক্লাব।
এক সাবেক থাকতে কেন অলিভার কানকে বেছে নেয়া হল? উলি হোয়েনেস পরিষ্কার বলেছেন, ‘কান এই ক্লাবের সব কিছু জানে। ফুটবল ও ব্যবসা দুটো দিকই সামলে দিতে পারবে।’
খেলা ছাড়ার পরে কান নিজে এমবিএ ডিগ্রি করেছেন। পাশাপাশি টিভিতে ধারাভাষ্যকার হিসেবে কাজ করছেন। পাশাপাশি নিজের ব্যবসাও সামলাচ্ছেন।
ক্লাব প্রেসিডেন্টের কথায়, ‘আমাদের মনে হয়েছে কান সঠিকভাবে দায়িত্ব সামলাতে পারবে। বায়ার্নের সঙ্গে কয়েক যুগের সম্পর্ক। ক্লাবের সব কিছু ও ভালোভাবেই জানে। কানকে আমরা সেভাবেই বলেছি। আশা করি, বায়ার্নের জন্য কান একেবারে সঠিক নির্বাচন।’
১৯৯৪ সালে কান বায়ার্নে যোগ দিয়েছিলেন। ১৪ বছর এই ক্লাবেই কাটিয়েছেন। অবসর নিয়েছেন এই ক্লাব থেকেই। ২০০১ সালে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বায়ার্নকে চ্যাম্পিয়ন করার পেছনে কানের অবদান অস্বীকার করা যায় না।
২০০২ সালে বিশ্বকাপে জার্মান দল রানার্স হয়েছিল। সেই দলেও ছিলেন কান। দেশের জার্সি গায়ে ৮৬টি ম্যাচ খেলা কিপার বায়ার্নের প্রেসিডেন্টের প্রস্তাবকে গ্রহণ করে বলেছেন, ‘বায়ার্ন আমার জীবন তৈরি করে দিয়েছে। এই ক্লাব যে দায়িত্ব দেবে, তাই আমার কাছে বড় সম্মান। আমি তৈরি সেই দায়িত্ব সামলানোর জন্য।’







