বছরের শেষদিন। সবাই ছুটির আমেজে। তবে লিওনেল মেসির যেন ছুটি নেই। বছরের শেষ দিনটিতেও ঝরাতে চাইলেন ঘাম। তাই ছুটে গেলেন জিমে। নিজের ব্যক্তিগত জিম থাকার পরও আর্জেন্টিনা ও বার্সেলোনা অধিনায়ক বেঁছে নিলেন সাধারণ জিমকেই। নিজ জন্মভূমি রোজারিওর জিমে ঢুকে চমকে দিলেন সবাইকে!
বড়দিন ও নববর্ষের ছুটি কাটাতে স্বপরিবারে জন্মভূমি রোজারিওকেই বেছে নিয়েছিলেন মেসি। নতুন বছরের শুরুতে এস্পানিয়লের বিপক্ষে বার্সার ম্যাচ থাকায় ২০১৯ সালের শেষ দিনটিকেও অপচয় করতে চাননি আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। তাই ছুটে যান রোজারিওর সাধারণ এক জিমে।
জিমে ঢুকতেই মেসিকে দেখে অবাক হয়ে যান সেখানে থাকা ব্যায়াম করতে আসা সাধারণ সদস্যরা। জিম কর্মী ভ্যালেন্টিনা হুরে বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না যে তাদের জিমে এসেছেন মেসি!
‘তিনি অন্য সবার মতো জিমে ঢুকলেন, তাকে দেখে আমার বিশ্বাসই হচ্ছিলো না। তিনি এসে সবার মতই জিমের মেশিনগুলো ব্যবহার শুরু করলেন, সবাইকে দেখে হাসলেন’, প্রবল আবেগ নিয়ে রোজারিও নুয়েস্ত্রোকে এমনটাই বলছিলেন ভ্যালেন্টিনা।
‘আমার যেন বিশ্বাসই হচ্ছিলো না। এক অর্থে আমার ফোনটা বিস্ফোরিত হওয়া শুরু করলো। বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে সাংবাদিক আর পরিচিত মানুষজন আমাকে ফোন দেয়া শুরু করলো।’
অবাক করার মতো হচ্ছে ট্রেডমিলে মেসি যখন দৌড়াচ্ছিলেন তখনই টেলিভিশনে বার্সেলোনা ও মেসির গোলের হাইলাইটস দেখানো হচ্ছিলো। ঘাম ঝরাতে ঝরাতে নিজের ভিডিও মনোযোগ দিয়ে দেখেছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। জিম শেষে জিমের অন্য সবার সঙ্গে তুলেছেন ছবি।
২০১৮ সালে রোনালদোর নিবেদনের সঙ্গে তুলনা করে মেসিকে সমালোচনা করেছিলেন আর্জেন্টিনার সাবেক তারকা কার্লোস তেভেজ। পর্তুগিজ তারকা যেখানে ছুটির দিনেও নিজের ফিটনেস বাড়াতে ব্যস্ত থাকেন সেখানে মেসিকে নিয়ে প্রশ্ন ছিলো তেভেজের। ২০১৯ সালের শেষদিনটিতে ঘাম ঝরিয়ে সাবেক সতীর্থকেই যেন জবাব দিলেন এলএম টেন!







