বঙ্গবন্ধু রাজনীতির ধুমকেতু নয় বরং ধ্রুবতারা বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। তিনি বলেছেন, রাজনীতির শুরু থেকে বঙ্গবন্ধু হয়ে ওঠা পর্যন্ত পুরো জীবনী জনগণকে জানাতে হবে। এটি করতে পারলেই বাঙালি জানতে পারবে বাংলাদেশ রাষ্ট্রেরও জন্মের ইতিহাস।
শুক্রবার বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) কর্তৃক প্রকাশিত ‘সংবাদপত্রে বঙ্গবন্ধু-দ্বিতীয় খন্ড: ষাটের দশক-প্রথম পর্ব’ গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন: বঙ্গবন্ধুর ইতিহাসের সাক্ষি এবং নিজেই ইতিহাস সৃষ্টিকারী। বাংলাদেশের জাতি রাষ্ট্রকে ধাপে ধাপে কিভাবে সাম্প্রদায়িকতার আলখাল্লা পরিত্যাগ করতেন এবং আধুনিক বাঙ্গালির জাতীয়তায় দিক্ষিত করতেন। সেটা এই বইয়ে কিছুটা দেখতে পারবেন।
বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক কর্মজীবনকে সচেতন সব মানুষের জানতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তথ্যমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাস বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামের ইতিহাস। আমাদের যে স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় তার যে অবদান সেটা ইতিহাসের পাতায় লিপিবদ্ধ আছে। যারা চেষ্টা করেছিলো এই ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুকে সরিয়ে ফেলার তারা এ কথাটি স্বরণ রাখেনি যুগে যুগে এ মহা নায়কদের বিরুদ্ধে এ ধরনের ষড়যন্ত্র হয়েছে। কিন্ত ইতিহাসের মহা নায়করা ইতিহাসের পাতায় উজ্জল ছিলো এবং থাকবে।
অনুষ্ঠানে সাংবাদিক মনঞ্জুর আহসান বুলবুল বলেন, বাংলাদেশ প্রেস ইনিষ্টিটিউড তার সর্বোচ্চ সংকলন তৈরি করে ইতিহাসের একটা চমৎকার অধ্যায় তৈরি করেছে। এর ভিত্তিতে আগামী দিনে আসল ইতিহাস তৈরি হবে। আমি সব সময় সাংবাদিক হিসেবে বলি যে, তথ্যের মোকাবেলা তথ্য দিয়ে করতে হয়।
১৯৬০ থেকে ৬৫ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক কর্মজীবনে তৈরি হয়েছিলো একটি দেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস। সে সময় সংবাদপত্রে প্রকাশিত ওই ইতিহাসেরই সংকলন গ্রন্থ প্রকাশ করলো পিআইবি। সেই সাথে বঙ্গবন্ধুর ১৯৬৫ থেকে পরবর্তী রাজনৈতিক জীবন পর্যন্ত আরো বই বের করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে পিআইবি।






