চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
  • আরও
    • কর্পোরেট নিউজ
    • কৃষি
    • তথ্যপ্রযুক্তি
    • মতামত
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

বঙ্গবন্ধু কন্যার জন্মদিন

রাজু আলীম রাজু আলীম
৪:২৪ অপরাহ্ণ ২৮, সেপ্টেম্বর ২০১৯
মতামত
A A
বঙ্গবন্ধু কন্যা-শেখ হাসিনার জন্মদিন

আজ ২৮ সেপ্টেম্বর বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন। তিনি এখন আছেন আমাদের থেকে সুদূর আটলান্টিকের ওপারে আমেরিকার নিউইয়র্কে। জন্মদিনের এই ক্ষণে আজ তিনি জাতিসংঘ সচিবালয়ে জাতিসংঘ মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে করছেন। এছাড়াও মমতাময়ী বিশ্বমাতা তার জন্মদিনে আজ নিউইয়র্কে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে প্রেস ব্রিফিং করবেন এবং আজ তিনি নিউইয়র্কের হোটেল ম্যারিয়ট মারকুইসে বাংলাদেশি কমিউনিটি আয়োজিত একটি অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

কর্মব্যস্ত জন্মদিনে যোজন যোজন দূর থেকে বিশ্বমাতাকে জানাই জন্মদিনের অফুরন্ত শুভেচ্ছা। প্রধানমন্ত্রী জন্মদিনের এই শুভ লগ্নে ভ্যাকসিনেশন ও যুব দক্ষতা উন্নয়নে বাংলাদেশের ব্যাপক সাফল্যের জন্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে দুটি আন্তর্জাতিক পুরস্কার গ্রহণ করেছেন। বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম যেমন হতো না- তেমনি শেখ হাসিনার জন্ম না হলে আধুনিক বাংলাদেশ বিশ্বের দরবারে মাথা তুলে উন্নয়নের রোল মডেল ডিজিটাল বাংলাদেশের খেতাব পেতো না।

২৮ সেপ্টেম্বর ১৯৪৭ সালে টুঙ্গিপাড়া গ্রামে তাঁর জন্ম হয়। সময়টা ভারত ভাগের উত্তালে মাতোয়ারা। মূল্যবোধ, রাজনীতি, দর্শন, দেশ ধর্ম দুইভাগে বিভক্ত হয়ে নতুন জাতী সত্ত্বা তৈরী হচ্ছে। শেখ হাসিনার জন্মের সময়ে তাঁর পিতা শেখ মুজিব খুবই ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন কলকাতাতে ভারত ভাগের পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে। দাঙ্গা প্রতিরোধ, রাজনীতি, আন্দোলন আর লেখাপড়া নিয়ে তিনি তখন মহাব্যস্ত। তাই জন্মের পরেই পিতার স্নেহ পাননি শেখ হাসিনা। দাদা এবং দাদির প্রথম স্নেহ মমতা নিয়ে শেখ হাসিনার জন্ম। প্রিয় নাতনির নাম রাখেন দাদা- ‘হাসিনা’। মায়ের বুকের উম আর দাদা দাদির সাহচর্যে বেড়ে উঠতে থাকেন এখনকার সময়ের উন্নয়ন নেত্রী, মমতাময়ী মা শেখ হাসিনা। আচমকা একদিন ‘হাসুমনি’র কপালে কোমল চুমু এঁকে দিয়ে সবাইকে অবাক করে দেন শেখ মুজিব। কাউকে না জানিয়ে খবর পেয়ে মেয়েকে দেখতে সব কাজ ফেলে ছুটে আসেন কলকাতা থেকে। পিতার সেই প্রথম চুমুতে ছিল দূর্নিবার শক্তি। জাতীর জনকের সাত রাজার ধন ফুটফুটে ‘হাসুমনি’ বহু ইতিহাসের উত্থান পতন, সংগ্রাম ও টানাপোড়েনের মধ্যদিয়ে হয়ে ওঠেন বিশ্ব বাঙালির প্রিয় নেত্রী উন্নয়ন কন্যা এবং বাঙালির আশা ভরসার প্রতিচ্ছবি। প্রকৃতির অপার মমতার মাঝেই তার বেড়ে ওঠা এবং শিক্ষা জীবনের শুরু হয়। অবারিত মাঠ আর ছায়া সুনীবিড় গ্রামে ছোট ছোট পা ফেলে মহা জীবনের পথে পা বাড়ান শেখ হাসিনা। একসময়ে গ্রামের জীবন ছেড়ে আরও বিস্তৃত জীবনের শিক্ষা লাভের জন্যে ঢাকায় এসে ষ্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে নিজেকে তিলে তিলে গড়ে তোলেন। মা ফজিলাতুননেছা মুজিব তার জীবনে গভীর প্রভাব ফেলেন। মা নেওটা শেখ হাসিনা গভীর জীবনবোধ এবং উন্নত চরিত্রের আদর্শ মানুষ হয়ে ওঠার শিক্ষা লাভ করেন মায়ের কাছ থেকে। আর উচ্চশিক্ষার জন্যে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে শেখ হাসিনা ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। বাংলা যার মা, বাংলা যার প্রাণ-তিনি বাংলা বিভাগে পড়াশোনা করবেন এটাই তো স্বাভাবিক?

Banglabid

বাঙালি এবং বাংলাদেশের প্রতি তার মমতা আরও সুগভীর হয় বাংলা বিভাগে পড়াশোনার কারণে। তিনি ঢাকায় স্কুল ও কলেজে লেখাপড়া করেছেন তাই তার বন্ধুর সংখ্যাও ছিল অনেক। সবার মাঝে তিনি ছিলেন আনন্দের উপলক্ষ্য। সাথে মার্জিত, পরিশীলিত এবং আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের কারণে খুব কম সময়ের মধ্যে তিনি সকলের প্রিয় হয়ে ওঠেন। সবাই তার সাথে আড্ডা দেয়ার জন্যে উদগ্রিব থাকতো। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে ভিন্ন মতের এবং রাজনীতির ছেলেমেয়েরাও শেখ হাসিনাকে অনেক পছন্দ করতো এবং ভালবাসতো তার প্রজ্ঞা আর মমতাময়ী হৃদয়ের কারণে। ছোট, বড়, ছাত্র, শিক্ষক- সবার সাথে ছিল তার সখ্যতা।বঙ্গবন্ধু কন্যা-শেখ হাসিনার জন্মদিন

ছোটবেলা থেকে শেখ হাসিনা গভীর নেশায় আসক্ত ছিলেন। সেই নেশা বই পড়ার নেশা। রাজনীতির প্রজ্ঞা আর মানুষের জন্যে দেশের জন্যে নিজের জীবন উৎসর্গ করার মানসিকতা তৈরী হয় প্রচুর বই পড়ার মধ্য দিয়ে। মনে প্রাণে বাঙালি, ভদ্র মার্জিত হয়ে ওঠার পেছনে পারিবারিক শিক্ষার সাথে বই পড়ার নেশা আর বাবা মায়ের মূল্যবোধ এই সব গুণ নিয়ে ধীরে ধীরে আদর্শ মানুষ হয়ে ওঠেন শেখ হাসিনা। আর এখন এই বয়সে এসে আজও চির তরুণ। তাঁর তরুণ মনের সাথে বিস্তৃত অভিজ্ঞতা, পরমত সহিষ্ণুতা, সহনশীলতা, ধৈর্য্য আর দৃঢ়তার সাথে- সময় তাকে খাঁটি সোনায় পরিণত করেছে। বর্তমান আধুনিক বিশ্ব বাঙালির কাছে শেখ হাসিনা অমূল্য সম্পদ। পিতা যেমন তর্জনির গর্জনে ৭ কোটি বাঙালিকে জাগিয়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছিলেন তেমনি তার সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার উন্নয়ন দর্শনে বিশ্ব বাঙালি পৌচ্ছে যাচ্ছে উন্নত বিশ্বের কাতারে। সাবমেরিন থেকে মাটি, আর মাটি থেকে স্যাটেলাইট সব জায়গায় বাংলাদেশের এখন অপ্রতিরোধ্য বিচরণ। অবাক বিষ্ময়ে বিশ্ব দেখছে এখন শেখ হাসিনার উন্নয়ন ম্যাজিক।

শুধু প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নয় তিনি যখন বিরোধীদলের নেত্রী ছিলেন তখনও বিশ্ব দেখেছে তার অসীম তেজ এবং ক্ষিপ্রতা, আপোষহীনতা আর সংগ্রাম আন্দোলনের দূরদর্শীতা। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী হয়ে বারবার দায়িত্ব পালন কালে তিনি যথেষ্ট সচেতন। ভালো মন্দ যে কোন ঘটনা ঘটুক শেখ হাসিনা জানতে পারলে যে কোন মূল্যে তার সুরাহা নিজেই বের করে সমাধান না হওয়া পর্যন্তু মনিটরিং করেন। তার ধ্যান জ্ঞান হলো মানুষ আর দেশ। নিজ দেশ থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের আশ্রয়ের মাধ্যমে সারা বিশ্বের কাছে তিনি বিস্ময়ে পরিণত হয়েছেন। আর বিডিআর বিদ্রোহ দমনের সময় তার অপরিসীম সাহস ও প্রজ্ঞা দেখেছে বিশ্ববাসী। রাষ্ট্র নায়কোচিত বক্তব্য, জ্ঞান, আন্তর্জাতিক মহলে প্রশংসিত হয়েছে বারবার। বাঙালি সাধারণ আটপৌরে নারী না হয়ে তিনি সারা বিশ্বের কাছে স্বমহিমায় উজ্জ্বল হয়েছেন আলো ছড়িয়েছেন সবার মাঝে। বঙ্গবন্ধু কন্যা-শেখ হাসিনার জন্মদিন

Reneta

বর্তমানে তাকে বাংলাদেশের অস্তিত্বের প্রতীক মনে করা হচ্ছে। বাংলা সংষ্কৃতি, অসাম্প্রদায়িক মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধ জাতীর জনককে হত্যার মধ্য মুছে দিতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী বিশ্ব মহল সব সময়ই চেষ্টা করে আসছে। কিন্তু তার বিপরীতে শেখ হাসিনা একাই লড়ে যাচ্ছেন অকুতোভয় বীর সেনানীর মত। একাত্তরের পরাজিত শক্তি আর স্বাধীনতা বিরোধীদের সাথে আঁতাত করে ভোগবাদী, ক্ষমতালিপ্সু ও সুবিধাবাদী মানবতা বিবর্জিত রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ, বুদ্ধিজীবী, পেশাজীবী ও ব্যবসায়ী সমাজ। সেই সময়ে বাঙালিরা ছিল লাঞ্ছিত, দুস্থ, অসহায়, নির্যাতিত, অপমানিত, নিপীড়িত। ধর্মের ধোঁয়া তুলো এই দেশের শত্রু পাকিস্তানের স্বৈরাচারি সামরিক শাসকরা মহা সংকটে ফেলে দিয়েছিল আমাদের। সোনার বাংলা শ্মশানে পরিণত করে ব্যর্থ রাষ্ট্র ও জঙ্গী এবং সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রের তকমা লাগিয়ে দেয় এই দেশের গায়ে।

বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে সেই সব লোভী অসুরেরা প্রকারন্তরে নিজেদের পায়েই কুড়াল মারে। তাদের পরাজিত দর্শন প্রতিষ্ঠিত করতে পারেনি তারা। নরপশু মোশতাক, জিয়া ও স্বৈরাচার এরশাদ বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার চেতনা আর বাঙালিত্বকে মুছে ফেলতে আঘাত করেছে বারবার। উচ্ছিষ্ট ভোগী লোভীরা কেউ কেউ তলে তলে তাদেরই সমর্থন করে গিয়েছে। ক্যূ, পাল্টা ক্যূ, গুম ও হত্যার মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের অপচেষ্টা, গণতন্ত্র এবং রাজনীতিকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র বারবার ফিরে আসে। গণতন্ত্র, সুশাসন এবং মানবতাকে বারবার সেনাবাহিনীর উর্দি আর পায়ের তলায় নিষ্পেষিত করা হয়েছে। একদিকে গুটিকয় সুবিধাভোগী ধনী থেকে ধনী হচ্ছিল, আর অন্যদিকে ক্ষুধার্ত মানুষের হাহাকার ছড়িয়ে পড়ছিল চারিদিকে। অভাব অনটন আর নিষ্পেষণের যাঁতাকলে পিষ্ট মানুষের স্বাধীনতা খর্ব হয়েছিল।

বাঙালির ইতিহাসে কলঙ্কিত সময় ছিল ১৯৭৫ থেকে ১৯৮১ দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি। নির্যাতন, নিষ্পেষন আর দমন পীড়নে দিশেহারা বাঙালি মুক্তির পথ খোঁজে। সেই সময়ে ফেব্রুয়ারি মাসে আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। আর এই সম্মেলনে সর্ব সম্মতিক্রমে প্রবাসে অবস্থানরত শেখ হাসিনাকে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী নির্বাচিত করা হয়। ১৭ই মে শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে নতুন সময়ে প্রবেশ করে বাংলাদেশ। ওই দিন থেকেই পিতার অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করতে জীবন বাজি রেখে পথচলা শুরু হয় তার। এরপর আশির দশক থেকে নব্বইয়ের দশক পর্যন্ত স্বৈরাচারি সরকারের নানামুখি নিষ্পেষণের শিকার হতে হয়েছে শেখ হাসিনাকে । নানা সংগ্রাম আর ঘাত প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে মৃত্যুকে হাতের মুঠোয় নিয়ে পিতার মতই ধীরে ধীরে আপোষহীন, সংগ্রামী দেশপ্রেমিক ও মানবিক যোগ্যতায় আজ তিনি বিশ্বে অনন্য। দেশের সংকটে সবার কাছে তিনি আশা আকাংখার মূর্ত প্রতীক। তাঁর বিকল্প শুধুই তিনি।বঙ্গবন্ধু কন্যা-শেখ হাসিনার জন্মদিন

১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত দেশ শাসলে তিনি অসামান্য দক্ষতার পরিচয় দেন। এই সময়ে অর্থনীতির সবগুলো সূচকে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। দরিদ্রতা দূরীকরণ, কর্ম সংস্থান তৈরী, কৃষি বিপ্লবের সাথ শিল্পায়নে অসামান্য সফলতা আসে। দিশ থেকে মঙ্গা দূর করিার অনন্য নজির স্থাপিত হয়। নারীর ক্ষমতায়নে গৃহীত বিভিন্ন কর্মসুচি এবং সন্তানের অভিভাবক হিসেবে সর্বক্ষেত্রে পিতার পাশাপাশি মায়ের নামের স্বীকৃতিও ছিল একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। কৃষি উন্নয়নের লক্ষ্যে কৃষকদের ঋণ প্রদান, কৃষি সামগ্রীর মূল্যহ্রাস এবং সহজ প্রাপ্যতাও ছিল বিরাট অবদান। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে প্রথম সরকার মানুষের কাছে আস্থা এনে দিয়েছিল। পরবর্তীতে কিভাবে বিএনপি জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতায় আসে তা সবাই জানে। তারা পাঁচ বছর দেশ শাসনের নামে লুটপাট ও দুর্নীতি, জঙ্গীবাদ ও সন্ত্রাস সৃষ্টিতে ইতিহাস গড়ে তোলে এবং তারপরও ক্ষমতায় থাকার জন্য বিরোধীদলকে দমন করার হিংসাত্বক পন্থা অবলম্বন করে নির্বাচন কমিশনকে এক হাস্যকর দলীয়করনের দৃষ্টান্ত করে তোলে।

এরপরের ইতিহাস আমরা সবাই জানি যে কীভাবে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে তত্ত্বাবাধায়ক সরকার গঠিত হয় এবং তারা দুই বছর দেশ শাসন করে। তারা শুধুমাত্র গণতন্ত্রকে অকার্যকর করে রাখে রাজনীতি ও রাজনৈতিক নেতাদের কারারুদ্ধ করে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা গ্রেপ্তার রিমান্ড ও নির্যাতন চালিয়েছে। দুর্ভাগ্যজনক হলো বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাও কারারুদ্ধ হন। নিঃসঙ্গ কারাগারে তার ওপর মানসিক নির্যাতন চালানো হয়। এমনকি কারাগারে স্লো পয়জনিং করে তাকে হত্যা করার অপচেষ্টাও চালানো হয়। কারাবন্দি অবস্থায় কোর্টে তার মামলা চলে, সেখানেও তিনি সাহসিকতার সঙ্গে মোকাবেলা করেন। তার বিরুদ্ধে সকল মিথ্যা মামলার অভিযোগের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন তাকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেবার ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র চলছে।

সে সময়ও তার পেছনে শুধুমাত্র দলীয় নেতাকর্মী নয়, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারক বাহক সমগ্র দেশবাসী ঐক্যবদ্ধভাবে ছিলো। এর প্রমাণ ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে। মানুষ তাকে বিপুলভাবে ভোট দিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা হিসেবে দেশ শাসনের অধিকার দেয়। ২০০৯ সালে দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়ে শেখ হাসিনা জাতিকে স্বপ্নদর্শী করে তোলার পাশাপাশি একুশ শতকের প্রযুক্তি উপযোগী হবার আহ্বান জানান। তিনি ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার সকল কর্মসুচি তৃনমূল থেকে শুরু করেন। দেশে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং তার সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ নির্বাচন করে তিনি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথকে উদার করে দিয়েছেন। এর পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও কর্মসংস্থানের ব্যাপক উন্নয়নের মাধ্যমে দেশকে আজ মডেল হিসেবে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষণে সমর্থ করে তোলেন। এছাড়া তার শাসনামলে নারীর ক্ষমতায়নও বিশ্বে এক বিশেষ উদাহরণ স্থাপন করেছে। শেখ হাসিনার প্রতি তাকিয়ে আছে শুধুমাত্র বাংলাদেশ নয়, দক্ষিণ এশিয়া ও দরিদ্র অনুন্নত দেশের মানুষও। বর্তমান বিশ্বে যখন অর্থনৈতিক মন্দা চলছে, দেশে দেশে মূল্যবৃদ্ধি ও বেকার সমস্যা জটিল হচ্ছে তখন তিনি বাংলাদেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করেছেন। মানুষের জীবিকা নির্বাহে ন্যূনতম উপায় সৃষ্টি করেছেন।শেখ হাসিনার জন্মদিন

শেখ হাসিনার কৃতিত্ব এখানেই। তার সাফল্যের চাবিকাঠি হচ্ছে তিনি গভীর আন্তরিক বলেই যে কোনও ভালো উদ্যোগকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করতে জানেন। বিশেষ করে কৃষি খাতের উন্নয়নে তাঁর কোন বিকল্প আজও আমরা দেখতে পাই না। জাতীয় অর্থনীতি আগের চেয়ে অনেক শক্তিশালী। দারিদ্রের হার অনেক কমে বর্তমানে ৪০.২৪ ভাগে নেমে এসেছে। অনেক রকম সমস্যা আছে দেশে, সমস্যার মাত্রাও নানাবিধ তারপরও দেশের মানুষ ন্যূনতম শান্তি ও স্বস্তিতে জীবনযাপন করছে। এর প্রধান কারণ দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি। আমাদের স্বীকার করতেই হবে শেখ হাসিনার শাসনামলে তার দৃষ্টি তৃণমূল থেকেই ওপরে উঠেছে। তিনি তরুণদের কাছে প্রযুক্তি ব্যবহারের অবাধ সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করেছেন। আর বিশ্ব ব্যাংকে উপেক্ষা করে নিজেদের অর্থে পদ্মা সেতু নির্মাণ সবশেষ মহাকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট স্থাপন করে এখনকার তরুণ সমাজের কাছে আইকনে পরিণত হয়েছেন। বিদ্যুৎ উৎপাদনে অনন্য রেকর্ড তাঁর। রূপপুর নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট, মেট্টোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়ে, সমুদ্র সীমা জয়, ঢাকা চট্টগ্রাম ফোর লেন এবং ফ্ল্যাইওভার এই সব নানমুখি উন্নয়ন প্রকল্প বদলে দিচ্ছে বাংলাদেশকে।

শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বাসোপযোগী করার উদ্যোগ নিয়েছেন যেখানে শিক্ষা স্বাস্থ্য কর্মসংস্থান ছাড়াও সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশের বিরাট সম্ভাবনা থাকবে। জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা শেখ হাসিনার কতটুকু তা জনগণ এখন খুব সহজেই বুঝতে পেরেছে। আর তাঁর মত জনদরদী ও মমতাময়ী নেত্রী ভবিষ্যতে আসবে কি না সেটা ইতিহাস সাক্ষ্য দেবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মই মূল্যায়ণ করবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যোগ্য উত্তরসুরী হিসেবে শেখ হাসিনা তার সততা, আত্মত্যাগ, দূরদর্শীতা ও দেশপ্রেমের উজ্জ্বল স্বাক্ষর রেখেছেন- এটাই হচ্ছে তার সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব।শেখ হাসিনার জন্মদিন

তাই মমতাময়ী বিশ্বমাতা জননেত্রী শেখ হাসিনার শুভ জন্মদিনে অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে আবারো জানাই অফুরন্ত ভালবাসা। শুভ জন্মদিন মা। আপনি বেঁচে থাকুন হাজার বছর বিশ্ব বাঙালির কাণ্ডারি হয়ে। ১ অক্টোবর জাতিসংঘ অধিবেশন শেষে দেশে ফিরে আসুন সুস্থ ও নিরাপদে- এই কামনার আপনার শুভ জন্মদিনে দেশে ফেরার প্রত্যাশায় পথ চেয়ে বসে আছে বাংলাদেশের মানুষ।

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাশেখ হাসিনার জন্মদিন
শেয়ারTweetPin
পূর্ববর্তী

মডেল বোনকে হত্যার দায়ে ভাইয়ের যাবজ্জীবন

পরবর্তী

সেই সনি ওয়াকম্যান আবারও আসছে

পরবর্তী
সনি ওয়াকম্যান

সেই সনি ওয়াকম্যান আবারও আসছে

দুর্নীতি দূর করে সুনীতি প্রতিষ্ঠা করতে চাই: আইনমন্ত্রী

সর্বশেষ

প্রথমবারের মতো পূর্ণমন্ত্রী হওয়া মিল্লাতের রাজনৈতিক উত্থান যেভাবে

আগস্ট ২২, ২০২৬

নতুন নেতৃত্ব পেল টেলিভিশন নাট্যকার সংঘ, কারা আছেন কমিটিতে?

আগস্ট ২২, ২০২৬
আন্দালিব পার্থ সংবিধান সংশোধনের নৈতিক অধিকার নিয়ে আলোচনা করছেন. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থের রাজনৈতিক জীবন

আগস্ট ২২, ২০২৬

যাকে নায়ক হিসেবে দেখেছেন ছটকু আহমেদ

আগস্ট ২১, ২০২৬

‘কোনদিন মনে হয় নাই মানুষটা টাকা বানানোর জন্য রাজনীতিতে এসেছেন’

আগস্ট ২১, ২০২৬
iscreenads
চ্যানেল আই অনলাইন লোগো, বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংবাদ পোর্টাল. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT