‘হ্যারি পটার’ যুগে বড় হওয়া মানুষদের কাছে হারমায়োনি গ্রোঞ্জার খুব প্রিয় একটি নাম! প্রথম দিকে খানিকটা অহংকারী মনে হলেও পরবর্তীতে হ্যারির সঙ্গে দারুণ ভাব জমে যায় মেয়েটির। সিনেমায় এ চরিত্রে অভিনয় করে সবার পরিচিত মানুষে পরিণত হন এমা ওয়াটসন। ‘হ্যারি পটার’ সিরিজের প্রথম ছবিটি যখন মুক্তি পায়, তখন এমা ছিল ১১ বছরের পুঁচকে। আর এবার ২৭ বছরে পা রেখেছেন তিনি। ১৫ এপ্রিল ছিল তার জন্মদিন। আর তাই নিউইয়র্কের ঝলমলে আকাশ আরেকটু ঝলমলে হয়ে উঠেছিল নিশ্চয়। সবাই মিলে এমাকে জানিয়েছিল ‘হ্যাপি বার্থ ডে এমা’।
কেবল একজন অভিনয়শিল্পী হিসেবেই নয়, এই অল্প বয়সেই এমা পরিচিতি পেয়েছেন তার অসাধারণ ব্যক্তিত্বের কারণে। জাতিসংঘের নারীবিষয়ক শুভেচ্ছা দূত হিসেবে লিঙ্গ বৈষম্য দূর করার লক্ষে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন এমা।
এমা বড় হয়েছেন শিল্প–সাহিত্যের শহর প্যারিসে। বই পড়তে ভীষণ ভালোবাসেন এমা। প্রতিদিন ঘুমানোর সময় নিয়ম করে বই পড়েন আর ডায়েরিতে জমিয়ে রাখেন তার কথামালা। বই নাকি এমাকে অন্য এক জগতে নিয়ে যেতে পারে। বইয়ের প্রতি ভালোবাসা থেকে এমা ফেমিনিস্ট বুক ক্লাবের মাধ্যমে সবার কাছে পৌছে দেন তার ভালো লাগার বইগুলো।
অভিনয় করলেই যে পড়াকে শিকায় তুলতে হবে, এ কথাটি এমার ক্ষেত্রে উজ্জ্বল ব্যাতিক্রম। ইংরেজি সাহিত্যের বেশ মনযোগী ছাত্রী হিসবে যুক্তরাষ্ট্রের ব্রাউন ইউনিভার্সিটি থেকে ইংরেজিতে ব্যাচেলর সম্পন্ন করেছেন এমা। এ বছর ‘বিউটি অ্যান্ড দ্য বিস্ট’ ছবির মধ্য দিয়ে নতুন এক এমাকে পেয়েছে দর্শক। এখন সেই এমার এগিয়ে যাওয়া দেখতে চান সবাই।







