জনপ্রিয় মূকাভিনয় শিল্পী মীর লোকমানকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল ছাত্রলীগের সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাস মারধর করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে অভিযোগটি অস্বীকার করে এই ছাত্রলীগ নেতা বলেছেন, মীর লোকমানকেকে মারধর করা হয়নি, জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী ও কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানায়, মীর লোকমান পৌনে বারটার দিকে ছাত্রলীগের এক কেন্দ্রীয় নেতার সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় লাইব্রেরীর সামনে দাঁড়িয়েছিলেন। এ সময় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় দুই উপ-সম্পাদক সাদ বিন চৌধুরী ও মো. নাজিম, ছাত্রলীগ নেতা বকুল তাকে ফেসবুকে স্ট্যটাস দেয়ার বিষয়ে কৈফিয়ত তলব করে। এসময় হঠাৎ জগন্নাথ হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাস এসে মীর লোকমানকে চড়-থাপ্পড় দিতে শুরু করেন। উপস্থিত ছাত্রলীগের কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা ওই ছাত্রলীগ নেতাকে নিবৃত্ত করেন।
শনিবার কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার বিষয় নিয়ে মীর লোকমান ফেসবুকে একটি স্ট্যটাস দেন। তিনি লিখেছিলেন, ‘সোনার ছেলেরা! আজ ব্যাপক খেলে দিয়েছো।
মারধরের বিষয়ে সঞ্জিত চন্দ্র দাস বলেন, তাকে মারধর করা হয়নি। সে ছাত্রলীগ নিয়ে উল্টা-পাল্টা লিখেছে এজন্য আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করেছি।
তবে ঘটনাস্থলে থাকা একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী মীর লোকমানকে মারধরের কথা নিশ্চিত করেন।
মারধরের বিচার চেয়ে মীর লোকমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর বরাবর আবেদন জানাবেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি চাই বিশ্ববিদ্যালয় আর কোনো ছাত্রের সঙ্গে আর এমন না ঘটুক।’
এ বিষয়ে জানতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক গোলাম রাব্বানীকে ফোন দেয়া হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
মীর লোকমান ঢাকা ইউনিভার্সিটি মাইম অ্যাকশন এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বর্তমানে সংগঠনটির পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দেশ-বিদেশে তিন ৪’শতাধিক মূকাভিনয় প্রদর্শনী করেছেন। বাংলাদেশের হয়ে তিনি ভারত, আর্মেনিয়া, দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিভিন্ন দেশে মূকাভিনয় তিনি দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।







