বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ জানিয়েছেন, ফেলানি ইস্যুতে সম্মেলনে কোনো আলোচনা হয়নি। তবে ফেলানি পরিবার বিচারে সন্তুষ্ট না হয়ে থাকলে আবারো আদালত গঠনের মৌখিক আশ্বাস দিয়েছেন ভারতের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফ প্রধান ডি কে পাঠক।
৩ দিনের সীমান্ত সম্মেলন শেষে ঢাকায় ফিরে বিজিবি মহাপরিচালক এ তথ্য জানান।
সীমান্ত হত্যা প্রসঙ্গে আত্মরক্ষার জন্য হত্যাকাণ্ড ঘটছে বলে আবারো সম্মেলনে দাবি করেছে বিএসএফ। তবে, বাংলাদেশী কোনো রাখাল কোনোভাবেই সীমান্ত অতিক্রম করবে না এমন আশ্বাস দেয়া হয়েছে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে।
গত ৪ জুলাই অভিযুক্ত বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষকে বেকসুর খালাস দিয়ে ফেলানি হত্যা মামলার পুনর্বিচারের রায় ঘোষণা করেছে বিএসএফ’র বিশেষ আদালত।
কয়েক দফা মুলতবির পর ৩০ জুন ভারতের কোচবিহারের বিএসএফ’র বিশেষ আদালতে শুরু হয় ফেলানি হত্যা মামলার পুনর্বিচারিক কার্যক্রম। কঠোর গোপনীয়তায় ৩ দিন বিচারিক কার্যক্রম চলার পর ওই রায় ঘোষণা করা হয়।
আগের রায় বহাল রেখে ভারতের কোচবিহারে বিএসএফ’র বিশেষ আদালতে ফেলানি হত্যা মামলার পুনর্বিচারের রায় ঘোষণা করে।
এর আগে বিজিবি-বিএসএফ’র দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকের সিদ্ধান্তে ২০১৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর ফেলানী হত্যা মামলার পুনর্বিচার কার্যক্রম শুরু করে বিএসএফ’র বিশেষ আদালত।
২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ফুলবাড়ীর অনন্তপুর সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া পার হওয়ার সময় বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষের গুলিতে নির্মমভাবে নিহত হয় বাংলাদেশী কিশোরী ফেলানি খাতুন। এ হত্যাকাণ্ডে দেশ-বিদেশের গণমাধ্যমসহ মনবাধিকার কর্মীদের মাঝে সমালোচনার ঝড় উঠে।
২০১৩ সালের ১৩ আগষ্ট ভারতের কোচবিহারের বিএসএফ’র বিশেষ আদালতে ফেলানি হত্যার বিচার কাজ শুরু হয়। ২০১৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষকে বেকসুর খালাস দেয় বিএসএফ’র বিশেষ আদালত।







