পুরান ঢাকার হোসেনী দালানে শিয়াদের সমাবেশে হামলার ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ পুলিশের পাশাপাশি র্যাবও সংগ্রহ করছে। র্যাবের দশম ব্যাটালিয়ান কমান্ডিং অফিসার জাহাঙ্গীর হোসেন মাতুব্বর বলেন, তাৎক্ষণিকভাবে ফুটেজ সংগ্রহ করা যায়নি। সংগ্রহ করে আমরা তা দিয়ে হামলাকারীদের সনাক্ত করার চেষ্টা করছি।
পুলিশের কাছে হামলার ভিডিও ফুটেজ আছে এবং তা দিয়ে দ্রুত দোষী ব্যক্তিদের খুঁজে বের করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।
কীভাবে এই হামলা হলো ও কারা জড়িত, তা খুঁজে বের করতে তদন্ত সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
হোসেনী দালানের ইমামবাড়া এলাকাটি ছিলো পুরোপুরি সিসিটিভির আওতায়। নিয়ন্ত্রণ করা হতো দোতলার কন্ট্রোল রুম থেকে।
হামলায় ব্যবহৃত গ্রেনেডগুলো দেশেই তৈরী হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিস্ফোরক বিশেষঞ্জরা। গ্রেনেডগুলো সহজেই বহন করা যেতো জানিয়ে র্যাব কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর বলেন, হ্যান্ড মেড যে গ্রেনেডগুলি দেখা গেছে সেগুলো সাইজে ছোট ছিলো। এগুলা আনা নিরাপদ। কারণ তার সাথে একটি ক্লিপ ছিলো যা না খোলা পর্যন্ত বিস্ফোরণ ঘটবে না। হয়তো তারা পকেটে করে এগুলো নিয়ে আসছে।
পূজা এবং আশুরাকে কেন্দ্র করে বাড়তি উদ্বেগ থাকা সত্ত্বেও বিশাল সমাবেশে প্রতিটি লোককে চেক করে ঢোকানোর মতো পরিবেশ বা পরিস্থিতি ছিলো না বলে জানান জাহাঙ্গীর।
রাজধানীর হোসেনী দালানের ভেতর ইমামবাড়ার প্রধান গেটে আশুরা উপলক্ষে শিয়া সম্প্রদায়ের তাজিয়া মিছিল শুরুর আগে যেখানে পর পর ৬ টি গ্রেনেড বিস্ফোরনে হতাহতের ঘটনা ঘটে।
গ্রেনেড হামলার আগে পরে দায়িত্ব পালনে আইন শৃংখলা বাহিনী সদস্যের কারো গাফিলাতি ছিলো কি না খুঁজে বের করতে কাজ করছে তিনটি তদন্ত কমিটি।






