ফুটবল ম্যাচে পরিছন্নতা আনতে চালু করা হয়েছে ভিডিও অ্যাসিসট্যান্ট রেফারি সিস্টেম- ভিএআর। কিন্তু বিশ্বকাপ আসরের অর্ধেক শেষ হওয়ার আগেই ফুটবল বিশ্বে বিতর্কের ঝড় ‘ভিএআর’র ভাল-মন্দ নিয়ে।
পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা সমালোচনার মধ্য দুদিন আগেই ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক অ্যালান শিয়েরার ভিএআর প্রযুক্তিকে বলেছেন আবর্জনা। আর ডেনমার্কের ক্রিস্টিয়ান এরিকসন বলেছেন, ফুটবলের সৌন্দর্য নষ্ট করছে এই প্রযুক্তি।
শুরুতে দু-একটি ভালো সিদ্ধান্ত হলেও ধীরে ধীরে বিতর্কের আলোতে চলে আসে ভিএআর প্রযুক্তি। বিশেষ করে পর্তুগাল-ইরান ম্যাচে একটি ও ডেনমার্কের বিরুদ্ধে দুটি পেনাল্টি।
গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে ফ্রান্সে সঙ্গে গোলশূন্য ড্র’র পর এরিকসন বলেন, এই প্রযুক্তি পরিবর্তনের ফলে পেনাল্টি বক্সে খেলোয়াড়দের প্রতিক্রিয়া দেখানোর ধরনই পাল্টে গেছে।
বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ড নিশ্চিত হওয়ার পর টটেনহ্যাম তারকা বলেন, ‘দুটি ম্যাচে আমাদের বিরুদ্ধে দুটি পেনাল্টি সিদ্ধান্ত দেয়া হয়েছে। অবশ্যই এটা নিয়ে আমরা খুশি না।’
এরপরই তার সংযোজন, ‘এটা এমন কিছু যা খেলাটিকে নিখুঁত করতে চায়। কিন্তু সেটা না করে এই প্রযুক্তি বরং ফুটবলের সৌন্দর্যই নষ্ট করছে।’
এই প্রযুক্তি চালুর পর খেলোয়াড়দের মানসিকতায় যে পরিবর্তন এসেছে সেটাও উল্লেখ করেছেন এরিকসন, ‘একজন খেলোয়াড় (স্ট্রাইকার হোক বা ডিফেন্ডার) হিসেবে বক্সে সবসময়ই কিছু একটা ঘটার আশা করবেন। প্রায় প্রতিবারই কেউ না কেউ পড়বে, আপনিও ঘাবড়ে যাবেন। কারণ মনের ভেতরে একটা চিন্তা থাকবে পেছনে কিছু একটা ঘটে কিনা। সাধারণ অনুভূতির তুলনায় ভিএআর প্রযুক্তির সময় খেলার অনুভূতিতে অনেক পার্থক্য রয়েছে।’
ইংল্যান্ড সাবেক অধিনায়ক অ্যালান শিয়েরার বিবিসি টিভিতে ধারাভাষ্য দেয়ার সময় ভিএআর নিয়ে বলেন, ‘ধারাভাষ্য দিতে বসে এত চেঁচাইনি কখনও। বলতে চাইছিলাম, ভার ব্যাপারটা আসলে আবর্জনা।’
স্পেনের বিরুদ্ধে ম্যাচের পর ভিএআর’র সমালোচনা করে মরক্কোর মিডফিল্ডার ইউনেস বেলহান্দার মন্তব্য, ‘ভিএআর বড় দলকে সাহায্য করার জন্য।’








