এবারের আসরে না খেললেও চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলা নিয়মিত একটি দলের নাম আন্ডারলেখট। রাশিয়া বিশ্বকাপ মাতানো অনেক বেলজিয়ান ফুটবল তারকারও আঁতুড়ঘর এই ক্লাব। বেলজিয়ান ক্লাবটিকে জড়িয়ে উঠেছে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ। চালানো হয়েছে পুলিশি অভিযানও।
বুধবার আন্ডারলেখটসহ দেশের বড় কয়েকটি ক্লাবে অভিযান চালিয়েছে বেলজিয়ান পুলিশ। তালিকায় আছে এবারের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলা ক্লাব ব্রুগেরও নাম। শুধু ক্লাব নয়, বেলজিয়ান লিগ পরিচালনা করা ম্যাচ রেফারিসহ খেলোয়াড়দের এজেন্টরাও আছেন পুলিশের সন্দেহের তালিকায়।
২০১৭ সালের শেষদিকে একাধিক সন্দেহজনক লেনদেন চোখে পড়ে বেলজিয়াম পুলিশের ক্রীড়া জালিয়াত ইউনিটের। তা থেকেই সন্দেহ করা হয় ঘরোয়া লিগে বড় রকমের ফিক্সিংয়ে জর্জরিত বেলজিয়ান ফুটবল। ‘২০১৭-১৮ মৌসুমে অর্থের বিনিময়ে প্রতিযোগিতার ফলাফল পরিবর্তন করা হয়েছে’ এমন সন্দেহে তখন থেকেই অনুসন্ধান শুরু করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।
মোট ৪৪টি জায়গায় বুধবার হানা দিয়েছে পুলিশ। একইসঙ্গে ফ্রান্স, লুক্সেমবার্গ, সাইপ্রাস, মন্টেনেগ্রো, সার্বিয়া ও মেসিডোনিয়াসহ মোট ১৩টি দেশে চলেছে অভিযান।
‘আমরা বোর্ড পরিচালকসহ ফুটবল ক্লাবগুলোর অফিস, খেলোয়াড়, এজেন্ট, রেফারি, সাংবাদিকদের বাড়িতে অভিযান চালিয়েছি। অনেককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এসব বাড়িতে অভিযান চালানোর মূল কারণ হল বিভিন্ন বিদেশি আর্থিক লেনদেনের নথি খুঁজে বের করা।’ অভিযানের মূল প্রসিকিউটর জানান এমনই।
অভিযানের বিষয়টি স্বীকার করেছেন ক্লাব ব্রুগের সভাপতি বার্ট ভারহেগে। শুদ্ধি অভিযানকে সাধুবাদও জানিয়েছেন তিনি, ‘অভিযান হয়েছে। আমরা একে সাধুবাদই জানাচ্ছি। সর্বরকমের সহযোগিতা করতে আমরা প্রস্তুত।’







