ফাগুনের হাওয়া আর বাসন্তী রঙে উৎসবমুখর ছিল একুশে বইমেলার গোটা প্রাঙ্গণ। প্রিয়জনের জন্যে নতুন বই কেনার মধ্য দিয়ে ঋতুরাজ বসন্তকে স্বাগত জানান বইপ্রেমীরা।
বসন্তের প্রথম দিনে বইমেলায় অন্যরকম সকাল। একে তো ফাগুনের আগুন, অন্যদিকে সাপ্তাহিক ছুটির দিন। বইপ্রেমীদের বসনে ভুষনে আনন্দের রঙ।
উপচে পড়া ভীড় মাড়িয়ে প্রাণের সজীবতায় প্রিয়জনকে নিয়ে আড্ডা আর উপহার হিসেবে বই কেনায় মেতেছিলেন দর্শনার্থীরা। দর্শনার্থীরা বলছেন: বই মেলা আগে থেকেই শুরু হলেও সময় হয়ে ওঠছিলো না। কিন্তু আজ বসন্তের প্রথম দিন সেই সঙ্গে সাপ্তাহিক ছুটি দুই মিলিয়ে বই মেলায় চলে আসা।
উৎসবকে ঘিরে স্টলগুলোর বিক্রিবাট্টাও জমেছিল বেশ। রোদেলা প্রকাশনীর ম্যানেজার জুবায়ের রায়হান বলেন, গেলো বারের তুলনায় এবার বিক্রি ভালো। পাঠকরা লিস্ট করে করে বই কিনছেন। আগামী কাল আবার বিশ্ব ভালোবাসা দিবস, আশা করছি কালও ভালো বেচাকেনা হবে।
ফাগুনের শুভেচ্ছা জানাতে লেখকদের কেউ কেউ ছিলেন নিজের বইয়ের স্টলে। বিশিষ্ট লেখক মোহিত কামাল বলেন, আ্জ খুব ভালো লাগছে। মেয়েরা সুন্দর সুন্দর কাপড় পরে আসছে। ছেলেরাও মায়েদের সঙ্গে ম্যাচিং করে কাপড় পরে এসেছে। আগে যেটা ছিলো, তার শুধু ঘুরতো। কিন্তু এবারের অবস্থা একটু ভিন্ন। সবাই বইও কিনছে।
ঋতুরাজ বসন্তের আগমনে সকালেই ছিলো নজরুল মঞ্চে ছিল বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন। মেলার সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলো বরাবরই শিশুপ্রহর। শিশুচত্ত্বর ছিল ফাগুনে জড়ানো শিশু কিশোরদের কোলাহল মাখা। ফাগুনকে সঙ্গে নিয়ে বিশ্ব ভালোবাসা দিবসের প্রস্তুতি রেখে রবিবার বিকেলে যথারীতি উন্মুক্ত হবে বইমেলার দুয়ার।






