যশোর জেলার সবচেয়ে বড় সবজির মোকাম সদর উপজেলার চুরোমনকাঠি বাজার। এই বাজারে প্রতিকেজি বেগুন পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ২৮ টাকায়। এই বাজার থেকে মাত্র ৮ কিলোমিটার দূরত্বের চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড বাজারে ওই একই বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকায়। আর রাজধানী ঢাকায় গিয়ে দাম পৌঁছে যাচ্ছে দ্বিগুণে। কোনো কোনো সবজির ক্ষেত্রে তা আরও বেশি।
স্থানীয় কৃষকরা বলেন, আমরা এখানে সঠিক মূল্য পাচ্ছি না। এখানে বিক্রি করলাম ২৫ টাকা আর উনারা এটা ঢাকা নিয়ে গিয়ে বিক্রি করবেন ৮০ টাকা।
সবজির এই দামের জন্য পাইকার ও খুচরা ব্যবসায়ীরা দোষ দিচ্ছেন একে অপরকে।
পাইকারী ব্যবসায়ীদের দাবি, আমাদের কেজি প্রতি ১০-১২ টাকা লেবার খরচ আছে। আমাদেরও কিছুটা লাভ করতে হবে। তারপর রয়েছে খুচরা বাজার। তারা লাভ করার পর মূল্য দাঁড়াবে ৫০-৫৫ টাকা।
একদিনে টানা বৃষ্টিতে সবজির উৎপাদন কমেছে। অন্যদিকে সঠিক বাজার মূল্য না পেয়ে চরম ক্ষতির শিকার তারা।
কৃষকেরা জানান, সার-ডিজেলের যে দাম। সে তুলনায় বেগুন-শিম-মুলার দাম বাজারে নেই। তার উপর শ্রম মূল্য বৃদ্ধিতে কৃষক ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছে।
ক্রেতারা জানান, বাজারে সুষ্ঠু মনিটরিং ব্যবস্থা না থাকায় পণ্যের দামে লাগাম ধরা যাচ্ছে না।






