নয় বছর আগে এক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত শিষ্যকে এখনো ভোলেননি বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক কোচ ডেভ হোয়াটমোর। তাই সুযোগ পেয়েই প্রয়াত ছাত্র মানজারুল ইসলাম রানার বাড়ি গিয়ে তার মায়ের খোঁজখবর নিলেন বর্তমান জিম্বাবুয়ে দলের কোচিংয়ের দায়িত্ব পালন করা হোয়াটমোর।
২০০৭ সালের ১৬ মার্চ এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মারা যান ২৩ বছর বয়সী প্রতিশ্রুতিশীল প্রতিভাবান বাংলাদেশ জাতীয় দলের অলরাউন্ডার মানজারুল ইসলাম রানা।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তার স্মরণে খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামের গ্যালারির পশ্চিম অংশের নাম দিয়েছে মানজারুল ইসলাম রানা স্ট্যান্ড।
তৎকালীন কোচ ডেভ হোয়াটমোরের হাত ধরেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পা রাখেন রানা। ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে তার বোলিং বাংলাদেশের সিরিজ জয়ে দারুণ অবদান রাখে।
ডেভ হোয়াটমোর রানার স্পিন বোলিং ও লেট অর্ডারের ব্যাটিংয়ের ভক্ত ছিলেন। সেই হোয়াটমোর এখন খুলনায়। প্রিয় শিষ্যের স্মৃতিতে কাতর হয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে আবু নাসের স্টেডিয়াম সংলগ্ন রানার বাসায় যান হোয়াটমোর।
২০১৪ সালে পর ফের রানার বাসায় গিয়ে যেন পুরোনো রানাকেই আবারও ফিরে পান তিনি। এসময় বিভিন্ন ম্যাচে পাওয়া ‘ম্যান অব দ্য’ ম্যাচের ট্রফি, ক্যাপ, ড্যামি বোর্ড সবই যেন হোয়াটমোরকে মনে করিয়ে দেয় রানার স্মৃতি।
হোয়াটমোর রানার বাসায় গিয়ে তার মা জামিলা খাতুনের সঙ্গে বেশকিছু সময় কাটান। সন্তান হারানো মায়ের সঙ্গে করেন স্মৃতিচারণ। এতো বছর পরও প্রিয় শিষ্যকে ভোলেননি গুরু। তাই খোঁজ নিতে আসা ডেভ হোয়াটমোরের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান রানার মা।
বাংলাদেশের জার্সিতে ছয়টি টেস্ট ও ২৫টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেন প্রয়াত মানজারুল ইসলাম রান।
প্রসঙ্গত, চার ম্যাচের টি২০ সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে দুদলই রয়েছে খুলনায়। সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে বাংলাদেশ জিতলেও তৃতীয় ম্যাচ জিতে ঘুরে দাঁড়িয়েছে জিম্বাবুয়ে। সিরিজের চতুর্থ ও শেষ ম্যাচ অনুষ্ঠিত শুক্রবার।






