সাউথ আফ্রিকা নারী ইমার্জিং দলকে ৫৫ রানে হারিয়ে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরু করেছে বাংলাদেশ ইমার্জিং। মঙ্গলবার সিলেটে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে।
সফরকারীদের লক্ষ্যটা খুব বড় ছিল না। ১৯৭ রানের। দুইশর নিচে লক্ষ্য তাড়ায় সাউথ আফ্রিকার ইমার্জিং মেয়েদের শুরুটাও হয়েছিল দারুণ। ৪১, ২৮ ও ২১ রানের তিনটি জুটির পর সেভাবে আর দাঁড়াতে পারেনি প্রোটিয়ারা। ৪৪.৫ ওভারে গুটিয়ে যায় ১৪১ রানে।
সালমা খাতুন, জাহানারা আলম, সানজিদা আক্তার মেঘলার দারুণ বোলিং প্রোটিয়া ব্যাটারদের পথ কঠিন করে দেয়। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারালে স্কোরবোর্ড হয়ে যায় ১১০/৮। ২০ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে তারা।
নবম উইকেট জুটির প্রতিরোধ ভয়ঙ্কর হওয়ার আগেই ভেঙে দেন জাহানারা। লিহ জোন্সকে (১০) আউট করে ভাঙেন ২৩ রানের জুটি। ইনিংসের শেষ পেরেকটি ঠোকেন রুমানা আহমেদ, জেন উইনস্টারকে আউট করে। কায়াকাজি মেথ ১৭ রানে অপরাজিত থাকেন।
প্রোটিয়া ওপেনার এন্ড্রি স্টেইন সর্বোচ্চ ৪১ রান করে যান। আরেক ওপেনার রবিন শার্লি করেন ১৫ রান। কৃস্টি থমসন ১৩ ও আনেকে বোস ১৬ রান করেন।
১০ ওভারে ২৫ রানে ৩ উইকেট নেন সালমা। দুটি করে উইকেট নিয়েছেন জাহানারা, রুমানা ও মেঘলা।
সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দারুণ হলেও বড় সংগ্রহ গড়তে ব্যর্থ হয় নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে স্বাগতিকরা তোলে ১৯৬ রান।
অথচ শুরুটা যেমন হয়েছিল, অনায়াসেই দুইশ পেরোনোর কথা। ওপেনিং জুটিতে আসে ৭৮ রান।
সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ফারজানা হক পিংকি শেষ পর্যন্ত না টিকে থাকলে মাঝারি পুঁজিও পায় না বাংলাদেশ। এ ব্যাটার ৭২ রানে অপরাজিত থাকেন। ১০২ বলের লড়াকু ইনিংসে চারের মার পাঁচটি।
মুর্শিদা খাতুন ও শামীমা সুলতানা বাংলাদেশকে এনে দেন উড়ন্ত সূচনা। শামীমা ৩৪ করে রান আউট হলে ভাঙে ৭৮ রানের জুটি। এ ডানহাতির ৪৫ বলের ইনিংসে চারের মার ছিল পাঁচটি।
অধিনায়ক নিগার তিনে ব্যাট করতে নেমে ফিরে যান মাত্র ২ রান করে। আরেক ওপেনার বাঁহাতি মুর্শিদা ফিরে যান পরের ওভারেই। ২ রানের ব্যবধানে তিন উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
মুর্শিদা ৩৬ রান করেন ৬৫ বল খেলে। তার ইনিংসে বাউন্ডারি চারটি।
দ্রুত উইকেট হারানোর পর দলের হয়ে প্রতিরোধ গড়েন ফারজানা। রুমানা আহমেদ (১৩) ও রিতু মনির (১১) সঙ্গে ছোট ছোট জুটি গড়ে দলকে নিয়ে যান লড়াকু পুঁজির দিকে। নিজেও পেয়ে যান দারুণ এক ফিফটির দেখা।
প্রোটিয়া অফস্পিনার জেন উইনস্টার নেন তিন উইকেট। ৯ ওভার বোলিং করে দেন ৩২ রান।







