সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম দিনে মুস্তাফিজুর রহমানের অভিষেক টেস্ট ম্যাচেই অসাধারণ নৈপুণ্য এবং স্পিন বোলারদের সাফল্যের পর এবার ব্যাটিং সামর্থ্য পরীক্ষায় মাঠে টাইগার ব্যাটসম্যানরা। চট্টগ্রাম টেস্টে দ্বিতীয় দিনে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেট হারিয়ে ১৭৮ রান। মাহমুদুল্লাহ ৬৭ রান ও মুশফিকুর রহিম ১৬ রানে অপরাজিত রয়েছেন। মাহমুদুল্লাহর এটি ১২ তম টেস্ট হাফ সেঞ্চুরি।
টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর দল সাউথ আফ্রিকাকে ২৪৮ রানে অলআউট করে প্রথম দিনে শেষ করে র্যাঙ্কিংয়ে নয়ে থাকা বাংলাদেশ। দিনের শেষ দিকে তামিম ও ইমরুলের ব্যাট থেকে আসে ৭ রান। দ্বিতীয় দিনে ডেইল স্টেইন আর মরকেলের আগুনঝরা বলের সামনে উদ্বোধনী জুটির ৪৬ রান টাইগার শিবিরে কিছুটা স্বস্তি এনে দিয়েছিলো।
প্রোটিয়াদের পক্ষে প্রথম সাফল্য এনে দেন ভ্যান জাইল। ১৮ ওভারের দ্বিতীয় বলে বলের লাইন মিস করে ইমরুল কায়েস কিছুটা এগিয়ে এলে পেছন থেকে উইকেট ভাঙতে ভুল করেননি কুইন্ট ডি কক।
৯ রানের ব্যবধানে মুমিনুলকে ফিরিয়ে সফরকারীদের পক্ষে দ্বিতীয় সাফল্য এনে দেন সিমন হার্মার। হার্মারের বলে সরাসরি বোল্ড হয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন টেস্ট স্পেশালিস্ট মুমিনুল।
এরপরই টেস্ট ক্যারিয়ারে ১৮তম হাফ সেঞ্চুরি করে ডিন এলগারের বলে বোল্ড হয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন তামিম ইকবাল। তার সংগ্রহ ছিলো ১২৯ বল থেকে ৫৭ রান।
এর আগে প্রথম দিনে ওয়ানডের মতো জীবনের প্রথম টেস্টেও চমক দেখানো নতুন বোলিং সেনসেশন মুস্তাফিজুর রহমান ইনিংসের ৬০তম ওভারের ১ম, ২য় এবং ৪র্থ বলে তিন প্রোটিয়া ব্যাটসম্যানকে প্যাভিলিয়নে ফেরত পাঠান। টাইগারদের এই বোলিং বিস্ময় অল্পের জন্য হ্যাটট্রিক করতে না পারলেও প্রোটিয়াদের দলীয় ১৭৩ রানেই হাশিম আমলা, জেপি ডুমিনি এবং কুইন্টন ডি কককে ফিরিয়েছেন তিনি।
আর লোয়ার অডার্রে ব্যাট করতে নামা ভারনন ফিল্যান্ডার, সিমন হামার্র এবং ডেল স্টেইনকে দ্রুত ফিরিয়ে দেন লেগ স্পিনার জুবায়ের হোসেন। প্রথম সেশনে অফস্পিনার মাহমুদুল্লাহর একমাত্র শিকারের পর দ্বিতীয় সেশনে দ্রুত দুই উইকেট তুলে নেন সাকিব আল হাসান এবং তাইজুল ইসলাম।
শুরুটা খুব ভালো না হলেও পরে গুছিয়ে আনছিলেন সাউথ আফ্রিকান ব্যাটসম্যানরা। ৫৮ রানে প্রথম উইকেট পতনের পর দলীয় ১৩৬ রানে দ্বিতীয় উইকেট। একই রানে উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ডিন এলগারের পর ফাফ ডু প্লেসিস ফিরে যান। এরপরই অভিষিক্ত মুস্তাফিজের চমক, চার বলে তিন উইকেট। তারপর জুবায়ের ভেলকি। আর সবশেষে আবারো মুস্তাফিজের শিকার।







