দ্বিতীয়দিনেই দারুণ জমে উঠেছিল ইংল্যান্ড-সাউথ আফ্রিকার বক্সিং-ডে টেস্ট। যেখানে ভেল্কি দেখান দুই দলের পেসাররা। সেখানে তৃতীয়দিনে এসে উল্টো ভেলকি দেখাচ্ছেন ব্যাটসম্যানরা। বিশেষ করে ইংল্যান্ডের ররি বার্নস। প্রোটিয়াদের প্রতিরোধ করে ইংলিশদের জয়ের আশার জাগাচ্ছেন এই ওপেনার।
প্রথম ইনিংসে ২৮৪ রানে অলআউট হয় সাউথ আফ্রিকা। ইংল্যান্ড সেখানে প্রথম ইনিংসে তেমন কোনো প্রতিরোধই করতে পারেনি। ১৮১ রানে অলআউট হয়ে যান জো রুটরা।
সাউথ আফ্রিকার প্রথম ইনিংসে তবু বড় রানের পথে হেঁটেছিলেন কুইনটন ডি কক। ৯৫ রান করে ফিরেন তিনি। ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে একমাত্র জো ডেনলি ছাড়া আর কেউ ৫০ ছুঁতে পারেনি। ডেনলি হাফসেঞ্চুরি করেই আউট হন। বেন স্টোকস (৩৫) চেষ্টা চালালেও বড় ইনিংস গড়ার পক্ষে সেটা যথেষ্ট ছিল না।
সাউথ আফ্রিকা পেসার ভারনন ফিল্যান্ডার ১৬ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন কাগিসো রাবাডা। তিন উইকেট নেন তিনি।
বোলারদের দাপটে ম্যাচে যখন তারা ভালো জায়গায়, তখন খুব বেশিক্ষণ স্বস্তিতে থাকতে পারেনি সাউথ আফ্রিকা। কারণ, পাল্টা আঘাত করে ইংল্যান্ড পেসাররাও। জফরা আর্চার দুই উইকেট তুলে নেন। বাকি দুই পেসার জেমস অ্যান্ডারসন স্টুয়ার্ট ব্রড একটি করে উইকেট নেন।
দ্বিতীয় দিনের শেষে সাউথ আফ্রিকা ছিল ৭২-৪। তৃতীয়দিন তারা অলআউট হয় ২৭২ রানে। ভ্যান ডার ডুসেন ৫১ ও ফিল্যান্ডার ৪৬ রান করেন। ইংল্যান্ডের হয়ে আর্চার নেন ৫ উইকেট। বেন স্টোকস দখল করেন দুটি উইকেট।
দ্বিতীয়দিন শেষে বলা হচ্ছিল, যদি আড়াইশো রানের লিডও সাউথ আফ্রিকা ইংল্যান্ডের সামনে রাখতে পারে, তাহলেই রুটদের কাজ ভয়ঙ্কর কঠিন হয়ে যাবে। কারণ ইংল্যান্ডকে ব্যাট করতে হবে চতুর্থ ইনিংসে। তার ওপর স্বাগতিক পেসাররা যে গতিতে বল করছেন, তাতে ইংল্যান্ড ব্যাটসম্যানদের বড় চ্যালেঞ্জের সামনে পড়তে হবে।
কিন্তু ৩৭৬ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে উল্টো চিত্রই তুলে ধরেন ইংল্যান্ডের দুই ওপেনার। জুটিতে তোলেন ৯২ রান। ২৯ রানে ডম শিবলি কেশব মহারাজের শিকার হলেও ইংলিশদের জয়ের আশা দিচ্ছেন ররি বার্নস। ৭৭ রানে অপরাজিত তিনি। ১০ অপরাজিত তার সঙ্গী জো ডেনলি। তৃতীয়দিন শেষে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ এক উইকেটে ১২১ রান। বাকি দুদিনে তাদের করতে হবে আরও ২৫৫ রান। হাতে ৯টি উইকেট।








