সাউথ আফ্রিকা দলের হেড কোচ মার্ক বাউচারের প্রতি ওঠা বর্ণবাদী আচরণের অভিযোগের শুনানি হবে আসছে ১৬-২০মে। ডিসিপ্লিনারি কমিটির ওই শুনানির আগে খবর, বাউচারের প্রোটিয়াদের কোচ থাকাটাই একরকম ‘অনিশ্চিত’।
সাবেক উইকেটরক্ষক-ব্যাটারকে সিনিয়র কাউন্সিল অ্যাডভোকেট টেরি মোটাউয়ের নেতৃত্বাধীন ডিসিপ্লিনারি শুনানির মুখোমুখি হতে হবে। ফলাফল না আসা পর্যন্ত বাউচার হেড কোচের দায়িত্ব চালিয়ে যাবেন কিনা, সে ব্যাপারেও কোনো স্পষ্ট নির্দেশনা মেলেনি।
২০২৩ বিশ্বকাপ পর্যন্ত বাউচারের চুক্তির মেয়াদ। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে প্রোটিয়াদের দায়িত্ব পাওয়া সাবেক ক্রিকেটারকে অবশ্য বরখাস্ত করতে চাইছে ক্রিকেট সাউথ আফ্রিকা (সিএসএ)।
গত বছরের জুলাই-অক্টোবরের মধ্যে একাধিক শুনানিতে বেশ কয়েকজন কৃষ্ণাঙ্গ ক্রিকেটার সাক্ষ্য দেন যে, তারা জাতীয় দলে থাকাকালীন বর্ণবাদী আচরণের শিকার হয়েছেন।
পরে সোশ্যাল জাস্টিস অ্যান্ড নেশন বিল্ডিং (এসজেএন) কমিশনের প্রতিবেদনে বাউচারকে অভিযুক্ত করে সিএসএ।
সাউথ আফ্রিকার সাবেক বাঁহাতি স্পিনার পল অ্যাডামস কমিশনকে বলেছিলেন, বাউচার দলীয় একটি গানে তার সম্পর্কে বর্ণবাদী শব্দের ব্যবহার করা হয়।
সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বাউচার বলেছেন, ‘এটা কঠিন হয়ে পড়েছে। আমি সত্যিই ছেলেদের কোচিং করানোটা উপভোগ করেছি। আমরা একসাথে একটি শক্ত ইউনিট পেয়েছি। ছেলেদের আশেপাশে থাকা এবং ক্রিকেটে তাদের উন্নতি দেখে উপভোগ করেছি। এর বাইরের অবস্থা আমার জন্য বেশ কঠিন।’
‘আমি মনে করি না আমার যে পরিস্থিতি তা উপভোগ করতে পারি। ক্রিকেটের দিকটি উপভোগ করেছি এবং এটিকে সেখানেই রেখে দেবো।’
‘আমি মানুষ হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা পছন্দ করি। বিশ্বের সেরা দলগুলোর বিরুদ্ধে নিজেকে বিচার করতে চান, আমরা সাম্প্রতিক সময়ের সেরা দুটি দল ভারত এবং নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেছি। তাদের বিপক্ষে কঠিন লড়াইয়ের সিরিজ ছিল। এটা ভালো, কারণ তখনই আপনার প্রতিযোগিতার মনোভাবটা বেরিয়ে আসে।’
‘যখন খেলতাম, ইংল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়া খুব কঠিন ছিল। তাদের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ভালো হবে। তবে ভবিষ্যতে কী হয়, তা আমরা দেখব।’








