আইসিসি’র সর্বোচ্চ পদ থেকে শ্রীনিবাসনের বিদায় নিশ্চিত হওয়ার খবর ঢাকায় পৌঁছানোর পর বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে ম্যাচ চলাকালীন সময়ে প্রেসবক্সে আসেন সভাপতি পদ ছেড়ে আসা বাংলাদেশের পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
এসময় প্রেসবক্সে, মেলবোর্ন ঘটনার পর আমার পদত্যাগ অনেক সত্য প্রকাশের রাস্তা খুলে দিয়েছিলো-বলে মন্তব্য করেন তিনি।
‘আমি সভাপতি আর তিনি আইসিসি’র চেয়ারম্যান ছিলো। কিন্তু তার কারণে আমাদের মধ্যে কখনোই কোনো রকম বোঝাপড়া ছিলো না,’ বলে মন্তব্য করেন বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের দীর্ঘদিনের সংগঠক মুস্তফা কামাল।
এছাড়াও তিনি বলেন, ‘তিনি শুধু আমাদের জন্যই নয় পুরো ক্রিকেট দুনিয়ার জন্য সঠিক ব্যক্তি ছিলেন না। মেলবোর্নে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের বিতর্কিত ম্যাচের জন্য নয়, তার আগে থেকেই তার সঙ্গে আমার সম্পর্ক ভালো ছিলো না।
তিনি আইসিসি’র চেয়ারম্যান আর আমি সভাপতি ছিলাম। প্রায়ই তার সঙ্গে আমার মিটিংয়ে বসতে হতো। তবে তার সঙ্গে আমার অনেক বিষয়ে মতের মিল হতো না। এটা বলবোনা যে, আমাদের মধ্যে ঝগড়া হতো। যখন আমি দেখলাম যথেষ্ট হয়েছে, তখন আমি নিজেই বিদায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম।
মেলবোর্নের ওই ঘটনার পর বাংলাদেশ-ভারত ক্রিকেট সম্পর্কে অবনতির আশংকা করা হলেও সেটা হয়নি। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিয়েই বাংলাদেশের ক্রিকেটের পুরনো বন্ধু জগমোহন ডালমিয়া সব উত্তেজনায় পানি ঢেলে দেন। মুস্তফা কামালকে আমন্ত্রণ জানিয়ে কলকাতায়ও নিয়ে যান ডালমিয়া।
হঠাৎ ডালমিয়ার মৃত্যু হলে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি হন শশাঙ্ক মনোহর। বিসিসিআই’র বার্ষিক সাধারণ সভার সিদ্ধান্তে এখন তিনিই আইসিসিতে ভারতকে প্রতিনিধিত্ব করবেন। সে হিসেবে মনোহর হবেন আইসিসির চেয়ারম্যান, আর সরে যেতে হবে অনেক ‘অঘটনের নায়ক’ শ্রীনিকে।







