জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়নে রাষ্ট্রপতির পরামর্শকে স্বাগত জানিয়েছে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি।
আওয়ামী লীগ বলেছে, আগামী নির্বাচনে এমন কাউকে মনোনয়ন দেয়া হবে না; যার কারণে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ব্যাহত হতে পারে।
আর বিএনপি বলেছে, তারা অবশ্যই সৎ ও যোগ্য নেতাকে মনোনয়ন দেবে। তবে নির্বাচনে যেতে আগে সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত হওয়া জরুরি।
১৯৭০ সালে প্রথম, এরপর ২০০৮ পর্যন্ত যতোবার প্রার্থী হয়েছেন ততোবারই সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ। ডেপুটি স্পিকার, বিরোধীদলীয় উপনেতা এবং স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেছেন। এখন দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতি তিনি।
আগামী সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থী মনোনয়নে কিছু পরামর্শ তুলে ধরেছেন অতীতে আট আটবার এমপি নির্বাচিত হওয়া আবদুল হামিদ।
রাষ্ট্রপতির বক্তব্যের সঙ্গে একমত প্রকাশ করে আওয়ামী লীগ বলছে- সততা, যোগ্যতা, গ্রহণযোগ্যতাসহ বিভিন্ন মাপকাঠিতে যারাই উত্তীর্ণ হবে তাদেরই মনোনয়ন দেওয়া হবে।
বিএনপি বলছে, তারা এখন ৫ দফা দাবিতে আন্দোলনে আছে। নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত হলে তারা নির্বাচন করবে। তখন যোগ্য মানুষটিকেই বেছে নেবে বিএনপি।
দুটি দলের নেতারাই বলছেন, রাজনীতিতে হাইব্রিড কিংবা উড়ে এসে জুড়ে বসাদের কারণে দেশের মানুষ তাদের প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত হয়। ভবিষ্যতে যেন এমন কেউ জনপ্রতিনিধি না হয় সেদিকে সবাইকেই লক্ষ্য রাখতে হবে।
বিস্তারিত ভিডিও রিপোর্টে:








