শেয়ারবাজার নানা ধকল কাটিয়ে যখন স্থিতিশীল হওয়ার চেষ্টা করছে তখন আবারও কারসাজির শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এবার পুুঁজিবাজারে আইপিওতে আসা শেয়ারের অস্বাভাবিক দাম বাড়া-কমার পেছনে সিন্ডিকেট ট্রেড কাজ করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
চ্যানেল আইয়ের একটি প্রতিবেদনে জানা গেছে, কোটায় আইপিও শেয়ার পাওয়া মার্চেন্ট ব্যাংক বা ব্রোকার হাউসগুলোর প্রতি অভিযোগের আঙুল তুলেছেন তারা। এ অবস্থায় আইপিওতে তাদের শেয়ার কোটা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।
ওই প্রতিবেদনে আরও জানা গেছে, সম্প্রতি ইনিশিয়াল পাবলিক অফারিং বা আইপিওর মাধ্যমে শেয়ারবাজারে এসেছে বেশকিছু কোম্পানি। সর্বশেষ এসেছে এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেড- ইপিজিএল। বাজারে আসার প্রথম কয়েকদিন টানা সর্বোচ্চ দামের সীমায় পৌঁছে কোম্পানীটির শেয়ারের দাম। তখন এই শেয়ারের কোনো বিক্রেতা ছিল না। তবে পরিস্থিতি পাল্টে যায় ২৬ জানুয়ারি থেকে। ওইদিন সকাল থেকে হঠাৎ করেই শেয়ারটির টানা দাম কমছে সর্বোচ্চ হারে। এতে ক্ষুব্ধ সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।
পুঁজিবাজার বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক আবু আহমেদ মনে করেন, আইপিও শেয়ারের মাধ্যমে মুনাফা হাতিয়ে নিচ্ছে একটি সুবিধাভোগী সিন্ডিকেট। আমরা মনে করি, এ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিৎ।
অধ্যাপক আবু আহমেদ এর আরও একটি কথায় কর্ণপাত করা যেতে পারে। তিনি লোভে পড়ে চড়া দামে আইপিও শেয়ার না কিনতে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করেছেন। এই পুঁজিবাজার বিশ্লেষকের সতর্কবার্তা বিনিয়োগকারীদের মেনে চলা উচিৎ। তাহলে বিনিয়োগকারীদের সর্বস্ব হারাতে হবে না।
শেয়ারবাজারে নানা সময়ে এমন কারসাজিতে সর্বস্ব হারিয়েছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। এমনকি তাদের অনেকে পথে বসেছেন। সেসবের ধাক্কা কাটিয়ে উঠে শেয়ারবাজার নতুন প্রাণ পাচ্ছে। এমন অবস্থায় আবারও কারসাজি হলে তা ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না। এজন্য সময় থাকতেই কারসাজি বন্ধের ব্যবস্থা গ্রহণে আমরা সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।







