ইরানের সরকার বিরোধী আন্দোলন দমন করতে প্রাইমারি স্কুলে ইংরেজি পড়ানো নিষিদ্ধ করেছে ইরান সরকার। ইরানের স্কুলগুলোতে ইংরেজি পড়ানোর ফলে ছাত্র-ছাত্রীরা পশ্চিমা সাংস্কৃতিক অাগ্রাসনের ফলে তাদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের সুপ্রিম নেতা আয়াতুল্লাহ খোমেনি।
ইরানের ধর্মীয় নেতা খোমেনি আরো বলেন, খুব অল্প বয়সে ইংরেজি শিক্ষার জন্য ইরানের মূল সংস্কৃতি পশ্চিমা দেশের সাংস্কৃতিক আক্রমণের শিকার হচ্ছে। সাংস্কৃতিক আক্রমণ থেকে ইরানকে রক্ষা করতেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইংরেজি পড়ানোর উপর এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ইরান সরকার।
সম্প্রতি ইরান সরকারের বিরুদ্ধে দেশটির বিভিন্ন প্রদেশে ব্যাপক আন্দোলনে ২১ জন প্রাণ হারায়। আন্দোলনে প্রায় দেড় হাজারের বেশি শিক্ষার্থীকে গ্রেফতার করে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। ব্যাপক আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ার ঠিক এক সপ্তাহ পরেই এই সরকারের এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলো।
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন শহরে সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের পর শনিবার সরকারের সমর্থকরাও রাজপথে নেমে আসে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ইন্টারনেট সেবা বন্ধের পাশাপাশি আনভেরিফাইড ভিডিও এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যত কার্যকলাপ সব বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়।
সরকারি সংস্থা থেকে বলা হয়েছিলো, সকল ধরনের গুজব এড়াতে ভ্রমণের বিধিনিষেধ ও নিকটবর্তী মিডিয়া ব্ল্যাক আউট করা হয়েছিলো। জনগণকে যেকোন ধরনের ‘বেআইনি সমাবেশ’ এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছিলো কর্তৃপক্ষ।







