ব্যাটসম্যানরা সবাই ব্যাটিং করলেন। রানটাও পেলেন মনমত। একটু এদিক-ওদিক হলেও সবারই ব্যাট হেসেছে। ফিফটি এসেছে ৪টি। তাতে আসল টেস্টে নামার প্রস্তুতি থেকে উজ্জীবনী শক্তি নিয়ে নিলেন বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানরা।
লিংকলনে দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচের প্রথম দিনে ঠাণ্ডা পরিবেশে কেবল গা গরমের ব্যাপার থাকলেও আদতে তা সাদা পোশাকে মানিয়ে নেয়ার প্রস্তুতি। বিপিএল খেলে সোজা নিউজিল্যান্ড, তারপর ওয়ানডে খেলা। টেস্টের মেজাজ কতটা ধরে রাখতে পেরেছেন সেটা দেখাই ছিল উদ্দেশ্য।
৪ ফিফটিতে সফরকারীদের সংগ্রহটাও হয়েছে ভদ্রস্ত। ৯৬.১ ওভার ব্যাটিং করে ৪১১ রান তুলেছেন টাইগার ব্যাটসম্যানরা।
আসল টেস্টে সাধারণত একদিনে ৯০ ওভারের বেশি খেলা হয় না। কিন্তু প্রস্তুতি ম্যাচ বলেই শনিবার ৯৬ ওভার ব্যাটিং করার সুযোগ পেলেন ব্যাটসম্যানরা। দেখে মনে হল ব্যাট থেকে ভালোই মরিচা ঝেড়েছেন তারা।

ওয়ানডে সিরিজ হয়েছে যাচ্ছেতাই। সেই সিরিজ আরও বেশি চোখে লেগেছে ওপেনার তামিম ইকবালের তিন ম্যাচে কেবল ১০ রান করায়। তামিম ঘুমিয়ে থাকায় অন্য ওপেনাররাও ভুগেছেন। কিন্তু সাদমান ইসলাম ফিরে দেখালেন সিনিয়রের যোগ্য সঙ্গী হওয়ার যোগ্যতা আছে তার।
তামিম ইকবাল ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে খেলতে পারেননি। তার অভাব অনেকটাই পুষিয়ে দেন সাদমান। দুজনে এক হয়ে কেমন খেলেন নিউজিল্যান্ডে সেটাই ছিল দেখার। প্রস্তুতি ম্যাচে ভালোই দেখালেন দুজনে।

ওপেনিং জুটিতে তারা তুলেছেন ১১৩ রান। সাদমান পেলেও তামিম ফিফটি তুলতে পারেননি। ফিরেছেন ৪৫ রানে। তবে এখানেই স্বস্তি। তিন ম্যাচে ১০ রান করাকে টাইগার ওপেনারকে এই ইনিংস মানসিক শক্তি যোগাবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
লিটন দাস ওয়ানডে সিরিজে তিন ম্যাচে করেছিলেন মাত্র ৩ রান। আর প্রস্তুতি ম্যাচে করলেন ৬৭ রান। রঙিন পোশাকের ব্যর্থতা ভুলে এই ৬৭ রান থেকেও উজ্জীবীত হতে পারেন উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান।
তবে স্বস্তির মাঝে এখনো অস্বস্তি হয়ে আছেন চোটাক্রান্ত মুশফিকুর রহিম ও মোহাম্মদ মিঠুন। দুজনে প্রস্তুতি ম্যাচের দলে থাকলেও ব্যাট করেননি। তাই বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হতে টেস্টে দুজনে খেলতে নামলেও গলার কাঁটা হয়ে রইল এই প্রস্তুতি না নিতে পারাটা!








