প্রযুক্তির অভাবে সংকটে পড়েছিলো স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কার্যক্রম। সংকট কাটিয়ে ইসির হাতে পৌঁছে গেছে ৪ হাজার স্ক্যানার। এখন থেকে জাতীয় পরিচয়পত্রের জটিলতার সমাধানে দেশের ৫শ ১৮টি থানার ভোটারদের আর রাজধানীতে আসতে হবে না। ঢাকার পাশাপাশি দেশের ১০টি আঞ্চলিক অফিসেও ছাপানো হবে জাতীয় পরিচয়পত্র।
দেশে মোট ভোটার ১০ কোটি ৪২ লাখ। সব ভোটারের জন্য সাধারণ মানের জাতীয় পরিচয়পত্রের বদলে অত্যাধুনিক স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র ছাপানোর দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল ফ্রান্সের এক প্রতিষ্ঠানকে। কিন্তু সেই প্রতিষ্ঠানের ব্যর্থতার জন্য পিছিয়ে যায় স্মার্ট কার্ড বিতরণ কার্যক্রম। পরবর্তীকালে সেই বাধা কাটিয়ে নিজস্ব অর্থায়ন এবং নিজেদের লোকবল দিয়ে দেশেই তৈরী হচ্ছে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র। প্রথম বাধাটি কাটিয়ে উঠলেও দ্বিতীয় বাধা ছিল আঙ্গুলের ছাপ এবং চোখের কর্নিয়া পরীক্ষার মেশিন না থাকা । সেই কারণে কার্ড ছাপানোর পরও আটকে ছিল কোটি ভোটারের কাছে স্মার্ট কার্ড বিতরণ প্রক্রিয়া। সেই বাধাও আর থাকলো না, ৪ হাজার স্ক্যানার মেশিন হাতে পেয়েছে নির্বাচন কমিশন। জাতীয় নির্বাচনের আগেই সব ভোটারের হাতে পৌঁছে দেয়া হবে স্মার্ট আইডি কার্ড।
প্রয়োজনীয় প্রযুক্তির অভাব মিটে যাওয়াতে আগামী মাসে শুরু হবে দেশব্যাপী বিতরণ কার্যক্রম। থানা পর্যায়ে পাওয়া যাবে পরিচয়পত্র নিয়ে জটিলতার সমাধান। পরিচয়পত্র ছাপানো হবে রাজধানীর বাইরে নির্বাচন কমিশনের ১০টি আঞ্চলিক অফিসেও।
খুব শিগগির দেশের বাইরে বসবাসকারী প্রায় ১ কোটি প্রবাসী বাংলাদেশীর প্রত্যেকের হাতে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র তুলে দেয়ার পরিকল্পনাও নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।







