অভিযোগ থাকার পরও প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাকে সরকার কেন বিদেশে যেতে দিল, তার উত্তর দিয়েছেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক।
অনেকেরই প্রশ্ন: অর্থ পাচার, দুর্নীতি, আর্থিক অনিয়ম এবং নৈতিক স্খলনের মতো ১১টি গুরুতর অভিযোগ থাকার পরও প্রধান বিচারপতি কীভাবে বিদেশে যেতে পারলেন? রাষ্ট্রপতি নিজে যেখানে আপিল বিভাগের বিচারপতিদের কাছে সিনহার বিরুদ্ধে অভিযোগের দালিলিক তথ্য উপস্থাপন করলেন, সেখানে রাষ্ট্রপতিই বা কীভাবে প্রধান বিচারপতির ছুটির আবেদন মঞ্জুর করলেন?
রোববার সংবাদ সম্মেলনে এমন প্রশ্নগুলোর উত্তরে সরকারের অবস্থান খোলাসা করেছেন আইনমন্ত্রী।
প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন: অভিযোগ থাকলে সেটা মামলা–মোকদ্দমা পর্যন্ত গড়াতে একটা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। তিনি এখনো বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি। তাকে বিদেশে যেতে দেওয়ায় কোন অনিয়ম বা নীতিগত সমস্যা হয়নি।
‘প্রধান বিচারপতি পদটি একটি প্রতিষ্ঠান ও সাংবিধানিক পদ। ফলে তার বিরুদ্ধে তাড়াহুড়ো বা খামখেয়ালি করে কিছু করা সমীচীন হবে না,’ বলেও মন্তব্য করেন অানিসুল হক।
আইনমন্ত্রী বলেন, প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার বিরুদ্ধে যে ১১টি অভিযোগ উঠেছে তার অনুসন্ধান হবে।
দুর্নীতি দমন কমিশনের মাধ্যমে অভিযোগগুলোর তদন্তের ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন: যেসব অভিযোগ তোলা হয়েছে, তার প্রায় সবগুলোই এন্টি করাপশন কমিশনের আওতায়। তাহলে আপনারা বুঝতেই পারছেন, কে এটার অনুসন্ধান করবে।
‘অনুসন্ধানে সত্যতা পাওয়া গেলে আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে,’ বলে মামলা দায়েরের ইঙ্গিতও দেন আইনমন্ত্রী।







