প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে আওয়ামী লীগের লোক ও দলটির সদস্য হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একইসঙ্গে খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় বন্দি রাখা হলে এদেশে কোন নির্বাচন হবে না বলেও দাবি করেন তিনি। তবে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে বিএনপি নির্বাচনে যাবে বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।
বুধবার বিকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সহায়ক সরকারের দাবিতে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার হওয়ার পর আওয়ামী লীগের নেতারা তাকে মিষ্টিমুখ করিয়েছে। এতে কী প্রমাণ হয় না তিনি আ্ওয়ামী লীগের লোক?
সরকার বিএনপিকে বিলীন করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে এমন অভিযোগ করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ এ দেশের একটি বড় রাজনৈতিক দল। তারা আরেকটি বড় দলকে বিলীন করে দেওয়ার পরিকল্পনায় ব্যস্ত। তারা জানেন জনগণ তাদের ভোট দিবে না। তাই তারা কোন সুষ্ঠু নির্বাচন দিবে না। তারা চায় আরেকটি ৫ জানুয়ারির নির্বাচন। একারণে তারা নুরুল হুদার মতো বিতর্কিত ব্যক্তিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার করেছে।
মির্জা ফখরুল বলেন, একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনারের জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া রাষ্ট্রপতিকে ১৩দফা দিয়েছিলেন। আমরা মনে করেছিলাম রাষ্ট্রপতি দলীয় চিন্তার বাইরে আসবেন। কিন্তু তিনি আসতে পারেননি। আমরা স্থানীয় নির্বাচনে যাচ্ছি এবং যাব। কিন্তু জাতীয় নির্বাচনে যাব কি যাব না, তা নির্ভর করছে একটি নির্দলীয় সরকারের ওপর। আওয়ামী লীগের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না, এটি প্রমাণিত।
তিনি আরও বলেন, দুর্নীতিতে আওয়ামী লীগ অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাচ্ছে। ড. ইউনুস দেশের গর্ব এবং সারা বিশ্বেও তিনি সম্মানিত ব্যক্তিত্ব। ভারতেও তিনি বিপুল সম্মানে ভূষিত হচ্ছেন। কিন্তু শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত ঈর্ষা থেকে তাঁকে বিতর্কিত করা হচ্ছে।







