ভারত সফর শেষে আগামী ১০ এপ্রিল রাত পৌনে আটটায় দেশে ফিরবেন শেখ হাসিনা। এসময় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, দেশের বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠন এবং সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে গণ-সংবর্ধনা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
শনিবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর ধানমন্ডিস্থ রাজনৈতিক কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সঙ্গঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওযামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের যৌথ সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।
তিনি বলেন, গণসংবর্ধনায় এয়ারপোর্ট থেকে শুরু করে গণভবন পর্যন্ত সকলে রাস্তার দু’ধারে অবস্থান নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানানো হবে। গণসংবর্ধনার কারণে নগরবাসীর সাময়িক দুর্ভোগ যেনো সহনীয় মাত্রায় হয় সেজন্য নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের।
প্রধানমন্ত্রীর এবারের সফরকে ঐতিহাসিক আখ্যা দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলে: প্রধানমন্ত্রীর এবারের ভারত সফর বাংলাদেশের জন্য বিরল সম্মান বয়ে এনেছে। এ প্রসঙ্গে তিনি, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাষ্ট্রীয় প্রোটকল ভেঙে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানানোর বিষয়টি তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে তিস্তার বন্ধ দুয়ার খুলে গেছে বলে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ সাধারণ ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বহুল প্রতীক্ষিত তিস্তা চুক্তি সম্পাদনের পথ অনেকটা এগিয়েছে। সেসকল অমিমাংসীত বিষয় ছিলো, সেগুলো সমাধান করা হয়েছে। অচিরেই তিস্তা চুক্তি সম্পন্ন হবে।
এর পাশাপাশি এবারের সফরে সম্পাদন হওয়া ২২ চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের বিষয়টি তুরে ধরে ওবায়দুল কাদের বলেন: প্রত্যেকটা চুক্তি এবং সমঝোতা স্মারকে বাংলাদেশ লাভবান হয়েছে। এটা এখন ওপেন সিক্রেট। এখানে লুকোচুরির কিছু নেই। বিএনপি এতোদিন যে মিথ্যা অভিযোগ করে আসছিলো, তা যে মিথ্যা ছিলো এখন সেটা পরিস্কার।
এছাড়া, রাষ্ট্রপতি ভবনে শেখ হাসিনার অবস্থান বাংলাদেশের জন্য বিরল সম্মান বলে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।








