প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের সম্পদ বিদেশে পাচারের জন্য নয়, দেশের মানুষের উন্নয়নের জন্য।
বুধবার বিজিবি দিবসে দরবারে দেয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আমাদের যতটুকু শক্তি আছে, আমরা সততার সাথে তা কাজে লাগিয়ে দেশের উন্নয়ন করব। দেশের সম্পদ নিজের ভোগবিলাসের জন্য নয়; দেশের সম্পদ বিদেশে পাচার করার জন্য নয়; দেশের সম্পদ বিদেশে বিলাসবহুল জীবন যাপনের জন্য নয়; দেশের সম্পদ দেশের মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ব্যয় হবে।’
দেশের মানুষ যদি ভালো থাকে, তাদের যদি আর্থিক উন্নতি হয়, তারা যদি সুন্দরভাবে বাঁচতে পারে তবে সেটাই বড় কথা বলে মন্তব্য করেন তিনি। ‘একজন রাজনীতিক এবং দেশপ্রেমিক হিসেবে এটাই আমার লক্ষ্য। বাংলাদেশের মানুষ যত বেশি উন্নত জীবন পাবে ততই আমি আনন্দিত হবো।
আওয়ামী সরকারের আমলে শিক্ষাক্ষেত্রে উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্কুল-কলেজ পর্যায়ে শিক্ষা সহজলভ্য করতে বিনামূল্যে বই ও বৃত্তি প্রদান, প্রতিবন্ধীদের জন্য আলাদা বৃত্তির ব্যবস্থা এবং উচ্চশিক্ষার জন্য প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট তহবিল গঠন করা হয়েছে।
পররাষ্ট্র সম্পর্ক প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব রেখেও কিন্তু আমরা আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করেছি। সেই মামলায় বাংলাদেশ জয়ী হয়েছে এবং সমুদ্রসীমায় আমরা আমাদের অধিকার ফিরে পেয়েছি। সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয় – এই নীতি মেনেই আমরা রাষ্ট্র পরিচালনা করি। প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে যদি কোনো সমস্যা থাকে তবে সেটা সমাধানে আমরা পদক্ষেপ নেই।’
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ – বিজিবি’র আধুনিকীকরণে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।







