জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, আগামী নির্বাচন যথাসময়ে হবে। তবে সাংবিধানিকভাবে, প্রধানমন্ত্রী চাইলে যেকোনো সময় নির্বাচন দিতে পারেন।
শোকের মাসের প্রথম দিনে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করে তিনি বিএনপিকে আগামী নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের মেয়াদ শেষে পাঁচ বছর পরেই সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান সৈয়দ আশরাফ। তবে সংবিধানে প্রদত্ত ক্ষমতা অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী যেকোন সময় সংসদ ভেঙ্গে দেয়ার জন্য রাষ্ট্রপতিকে বলতে পারেন উল্লেখ করে আশরাফ বলেন, প্রধানমন্ত্রী ইচ্ছা করলে তা করতেও পারেন, আবার নাও পারেন।
বিএনপির প্রতি আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার আহবান জানান আশরাফ। জননেত্রী শেখ হাসিনার অধীনে কখনই কারচুপির নির্বাচন হয় নাই দাবি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রী বলেন, আগামীতে একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন হবে।
বাঙ্গালী জাতির জন্য শোকাবহ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের মৃত্যুর দিনটিতে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার জন্মদিন পালন বিষয়ে আশরাফ বলেন, সত্যিকারেই যদি খালেদা জিয়ার জন্ম ১৫ তারিখে হয় তাহলে ১৬ তারিখে কেক কাটলেই হয়। কেনো ১৫ তারিখেই কাটতে হবে। এটাতো একটা সৌজন্যতার ব্যপার। এই মানবিক গুণ যদি বেগম খালেদা জিয়ার না থাকে তাহলে তা জাতির জন্য দুর্ভাগ্যজনক।
কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে এবং আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকেও শ্রদ্ধা জানান।
পরে আওয়ামী লীগের অন্যান্য সহযোগী সংগঠন জাতির জনকের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানায়। এরপর মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।







