কোটা পদ্ধতি বাতিল ঘোষণা করে আন্দোলনকারীদের কাছ থেকে ‘মাদার অব এডুকেশন’ উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাদের বিপুল অভিনন্দনও পেয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে এক ব্রিফিংয়ে এই উপাধি ঘোষণা করেন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ।

ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানানোর কথা বলেন তারা। একই সঙ্গে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের কথাও জানান।
কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক হাসান আল মামুন, ১নং যুগ্ম আহ্বায়ক মো: রাশেদ খাঁন, ২নং যুগ্ম আহ্বায়ক মো: ফারুক হাসান, ৩নং যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক (নুর) সহ অসংখ্য ছাত্রছাত্রী উপস্থিত ছিলেন।
ব্রিফিং শেষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবিতে ফুলের মালা দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিশাল মিছিল করে শিক্ষার্থীরা।
এ সময় ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে পুরো ক্যাম্পাস।

কোটা বাতিল করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া ঘোষণা প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশের আগ পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা করে আন্দোলনকারীরা।
এসময় তারা কয়েকটি দাবিও উত্থাপন করেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- কোটা বাতিলের বিষয়টি গেজেট অাকারে প্রকাশ করে তা দ্রুত বাস্তবায়ন করা, আটক আন্দোলনকারীদের নিঃশর্ত মুক্তি, পুলিশি নির্যাতনে আহত সকল শিক্ষার্থীর সুচিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করবে সরকার এবং পুলিশ ও ঢাবি প্রশাসনের আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে করা ৫টি মামলা প্রত্যাহার।
আন্দোলনে অংশ নেয়া শিক্ষার্থী ও নেতৃবৃন্দকে কোনো রকম হয়রানি করা হলে শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে আবার আন্দোলনের ঘোষণা দেয়া হয়।
নেতৃবৃন্দ আন্দোলনে অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের এবং তাদের দাবির সঙ্গে সহমত পোষণ করায় সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
এর আগে মিয়ানমারে নির্যাতিনের শিকার রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়ার পর থেকে ‘ ‘মাদার অব হিউমেনিটি’ উপাধিতে ভূষিত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।








