জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০২১ সালের মধ্যে মধ্য আয়ের এবং ২০৪১ সালের মধ্যে একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত দেশে পরিণত করার স্বপ্নের কথা জানিয়ে গত দুই বছরে তার সরকারের সাফল্যগাথা তুলে ধরেছেন। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে সাফল্যের যে চিত্র উঠে এসেছে:- আর্থ-সামাজিক খাতে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে। – সবক্ষেত্রে শৃঙ্খলা, মানুষের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাস।
– ৬ষ্ঠ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শেষে ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা শুরু।
– বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন জিডিপির ভিত্তিতে বিশ্বে ৪৫তম এবং ক্রয়ক্ষমতার ভিত্তিতে ৩৩তম স্থান অধিকার করেছে।
– সেভ দ্যা চিলড্রেন-এর মাতৃসূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩০তম, ভারতের ১৪০ এবং পাকিস্তানের ১৪৯তম।
– অস্ট্রেলিয়া-ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট ফর ইকনমিকস অ্যান্ড পিস-এর বিশ্বশান্তি প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশের অবস্থান ৮৪তম, ভারতের ১৪৩তম এবং পাকিস্তানের ১৫৪তম।
– ইকোনমিস্ট-এর ইনটেলিজেন্স ইউনিট-এর গণতন্ত্র সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ৮৫তম আর পাকিস্তানের অবস্থান ১০৮তম।
– জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছ থেকে ‘দুর্যোগ প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ বিশ্বে উদাহরণ সৃষ্টি করেছে’ বলে স্বীকৃতি।
– গত অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ৬.৫ শতাংশ। এর আগের ৫ বছরে গড় প্রবৃদ্ধি ৬.২ শতাংশ।
– বিশ্ব অর্থনীতিতে অধিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের দিক থেকে পঞ্চম স্থানে বাংলাদেশ।
– বিশ্বের খুব কম দেশই একটানা দীর্ঘ সময় ধরে ৬ শতাংশের উপর প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে পেরেছে। অচিরেই প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশ ছাড়িয়ে যাবে।
– বিএনপি-জামাতের শেষ বছরে মাথাপিছু আয় ছিল ৫৪৩ মার্কিন ডলার। এখন বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ৩১৪ মার্কিন ডলার।
– ৫ কোটি মানুষ নিম্ন-আয়ের স্তর থেকে মধ্যম আয়ের স্তরে উন্নীত হয়েছে। দারিদ্র্যের হার ৪১.৫ শতাংশ থেকে কমে ২২.৪ শতাংশ।
– ২০০৬ সালে অতিদারিদ্র্যের হার ছিল ২৪.২ শতাংশ। তা এখন ৭.৯ শতাংশ।
– সরকারি ও বেসরকারিভাবে দেড় কোটি মানুষের কর্মসংস্থান।
– ৩৫ লাখ ৭৫ হাজার ৩৪৮ জন কর্মীর বিদেশে কর্মসংস্থান।
– ২০০৬ সালে রেমিট্যান্স আয় ছিল মাত্র ৪.৮০ বিলিয়ন ডলার। ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরে তা বৃদ্ধি পেয়ে ১৫.২ বিলিয়ন ডলার।
– একই সময়ে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩.৪৮ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ২৭ বিলিয়ন ডলারের বেশি।
– রপ্তানি আয় ২০১৪-১৫ অর্থবছরে এসে ৩২.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
– বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়ে এখন ১৪ হাজার ৭৭ মেগাওয়াট, উৎপাদন ১২ হাজার মেগাওয়াট। বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সংখ্যা ১০০ অতিক্রম। ৪৪ লাখ সোলার প্যানেল।
– প্রায় ৭৫ শতাংশ মানুষের জন্য বিদ্যুৎ সুবিধা। ২০২১ সালের মধ্যে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ।
– ২০০৬ সালে গ্যাসের দৈনিক উৎপাদন মাত্র ১৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট থেকে ২০১৫ সালে ২ হাজার ৭২৮ মিলিয়ন ঘনফুট।
– সারাদেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার অংশ হিসেবে ১৬টির অগ্রসরমান।
– ঢাকায় হাতিরঝিল প্রকল্প, কুড়িল-বিশ্বরোড বহুমুখী উড়াল সেতু, মিরপুর-বিমানবন্দর জিল্লুর রহমান উড়াল সেতু, বনানী ওভারপাস, মেয়র হানিফ উড়াল সেতু, টঙ্গীতে আহসানউল্লাহ মাস্টার উড়াল সেতু এবং চট্টগ্রামে বহদ্দারহাট উড়াল সেতু উদ্বোধন।
– অচিরেই মগবাজার-মালিবাগ উড়ালসেতুর নির্মাণ কাজ শেষ। ঢাকায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে এবং মেট্রোরেল নির্মাণের কাজ অগ্রসরমান।
– প্রায় ২৮ হাজার কোটি টাকা খরচে নিজস্ব অর্থায়নে দেশের ইতিহাসের বৃহত্তম নির্মাণ প্রকল্প পদ্মাসেতুর কাজ অগ্রসরমান। ২০১৮ সালের মধ্যে পদ্মা সেতু দিয়ে যানবাহন চলাচল।
– নবীনগর-ডিইপিজেড-চন্দ্রা সড়ক এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম ও জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ সড়ক ৪-লেনে উন্নীত।
– শিগগিরই চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণ কাজ শুরু, নারায়ণগঞ্জে ৩য় শীতলক্ষ্যা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরুর উদ্যোগ।
– অচিরেই জয়দেবপুর-টাঙ্গাইল-এলেঙ্গা মহাসড়ক ৪-লেনে উন্নীত করার কাজ শুরু।
– শিগগিরই ৪-লেন বিশিষ্ট দ্বিতীয় কাঁচপুর, দ্বিতীয় মেঘনা ও দ্বিতীয় গোমতি সেতুর নির্মাণ কাজ এবং এয়ারপোর্ট থেকে গাজীপুর পর্যন্ত BUS RAPID TRANSIT নির্মাণের মূল কাজ শুরু।
– দেশ আবারও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ।
– ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ৩ কোটি ৮৪ লাখ ১৮ হাজার মেট্রিক টন খাদ্য-শস্য উৎপাদন।
– মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে ৪৫ লাখ মেট্রিক টন। মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ আজ বিশ্বে চতুর্থ। চাল রপ্তানি শুরু।
– শিক্ষার হার ৭১ শতাংশ।
– ৭ বছরে মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে ১৯২ কোটি বই বিতরণ।
– এবছরের পহেলা জানুয়ারি শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রায় ৩৩ কোটি ৩৭ লাখ ৬২ হাজার ৭২২ টি বই বিনামূল্যে বিতরণ।
– প্রাথমিক থেকে ডিগ্রী পর্যন্ত ১ কোটি ২১ লাখ ৭৮ হাজার ১২৯ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি ও উপ-বৃত্তি।
– ২৬ হাজার ১৯৩ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ এবং ১ লাখ ২০ হাজার শিক্ষকের চাকুরি সরকারিকরণ।
– মাধ্যমিক পর্যায়ে সহকারি শিক্ষকদের পদমর্যাদা ৩য় শ্রেণী থেকে ২য় শ্রেণীতে এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের পদমর্যাদা ৩য় শ্রেণী থেকে ২য় শ্রেণীতে উন্নীত।
– যে সকল উপজেলায় সরকারি স্কুল ও কলেজ নাই সেখানে একটি করে স্কুল ও কলেজ জাতীয়করণ।
– প্রতিটি জেলায় একটি করে সরকারি বা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ।
– সারাদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৩ হাজার ১৭২ টি কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন।
– ২৩ হাজার ৩৩১টি মাধ্যমিক স্কুলে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন। পর্যায়ক্রমে সব স্কুলে মাল্টিমিডিয়া শ্রেণীকক্ষ চালু করার উদ্যোগ।
– সাড়ে ১৬ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে গ্রামের মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা। মানুষের জন্য বিনামূল্যে ৩২ পদের ওষুধ।
– সাড়ে ১২ হাজারের বেশি ডাক্তার নিয়োগ, ১৩ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, আরও ১০ হাজার নার্স নিয়োগের উদ্যোগ।
– ২০০৬ সালে গড় আয়ু ৬৬.৫ বছর, এখন ৭১ বছরের বেশী। শিশু ও মাতৃ-মৃত্যুর হার হ্রাস।
– নতুন ১১ টি সরকারি মেডিক্যাল কলেজ চালু।
– দারিদ্র্যসীমার নীচে বসবাসকারী ১ লাখ পরিবারের মধ্যে স্বাস্থ্য কার্ড বিতরণের উদ্যোগ। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে সব দরিদ্র পরিবারের মধ্যে এই কার্ড বিতরণ।
– ৫ হাজার ২৭৫ টি ডিজিটাল সেন্টার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ২০০ ধরণের ডিজিটাল সেবা প্রদান। এ খাতের উদ্যোক্তাদের মাসিক আয় ২০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা।
– মোবাইল সিম গ্রাহকের সংখ্যা এখন ১৩ কোটির বেশী। ইন্টারনেট গ্রাহক ৫ কোটি ৭ লাখ ৭ হাজারের বেশী।
– ২০১৬ সালেই মহাকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপনের আশা।
– গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর এবং যশোরে হাই-টেক পার্ক স্থাপনের কাজ অগ্রসরমান। বিভাগীয় শহরে সিলিকন সিটি স্থাপনের কার্যক্রম।
– পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ওয়াই-ফাই-এর মাধ্যমে বিনামূল্যে ইন্টারনেট সংযোগ।
– ২৫ হাজার ওয়েবসাইট নিয়ে বিশ্বের বৃহত্তম ওয়েব পোর্টাল “তথ্য বাতায়ন” চালু যা আর্ন্তজাতিকভাবে পুুরস্কৃত।
– ইন্টারনেট ব্যবহারে এখন ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ। থ্রিজি সেবা চালু, এবছরই ফোর জি।
– দেশের ৮ হাজার পোস্ট অফিসকে ডিজিটাল সেন্টারে রূপান্তরের কাজ চলমান।
– রাশিয়ার সহায়তায় ১ লাখ ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল প্রকল্প – রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র – স্থাপনের কাজ শুরু।
– গত অর্থবছরে আইটি এবং আইটিএস খাত থেকে প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ডলার আয়।
– নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতিমালা বাস্তবায়ন শুরু, নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ আইন প্রণয়ন, বেতনসহ মাতৃত্বকালীন ছুটি ৪ মাস থেকে ৬ মাসে উন্নীত।
– ৪০টি মন্ত্রণালয়ে জেন্ডার সেনসিটিভ বাজেট, স্থানীয় সরকারে নারীদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে আসন সংরক্ষণ।
– বাংলাদেশ এবারও লিঙ্গ সমতায় দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষস্থান।
– রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ পদে নারীর অবস্থানের দিক থেকে বিশ্বে শীর্ষে র বাংলাদেশ।
– আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘উইমেন ইন পার্লামেন্টস গ্লোবাল ফোরাম’ এর সম্মানসূচক ‘ডব্লিউআইপি ২০১৫’ পদক অর্জন।
– গণকর্মচারীদের অবসর গ্রহণের বয়স ৫৯ বছর এবং মুক্তিযোদ্ধা কর্মচারিদের ৬০ বছর।
– সামরিক-অসামরিক সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিদের বেতন ১২৩ ভাগ পর্যন্ত বৃদ্ধি, পদমর্যাদা বৃদ্ধি ও ব্যাপক পদোন্নতির সুযোগ।
– জাতির পিতা প্রণীত ১৯৭৪ সালের প্রতিরক্ষা নীতির আলোকে আর্মড ফোর্সেস গোল- ২০৩০ নির্ধারণ। সশস্ত্র বাহিনীর জন্য অত্যাধুনিক যুদ্ধসরঞ্জাম।
– পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর পদ তৃতীয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণীতে এবং ইন্সপেক্টর পদ দ্বিতীয় থেকে প্রথম শ্রেণীতে উন্নীত।
– পুলিশ, র্যাব, আনসার, বিজিবি ও সশস্ত্রবাহিনীর ঝুঁকিভাতা।
– গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম বেতন বাড়িয়ে ৫ হাজার ৩০০ টাকা।
– বিএনপি-জামাত জোট সরকারের সময় বন্ধ ঘোষিত ২৭টি পাটকল চালু।
– ৮ হাজার ৫০৭ শহীদ মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারকে ভাতা প্রদান।
– প্রায় ৪৭ লাখ ১৩ হাজার মানুষের জন্য বয়স্ক, বিধবা, স্বামী পরিত্যক্ত ও প্রতিবন্ধী ভাতা। এজন্য বছরে খরচ ২১০ কোটি টাকা।
– হিজড়াদের তৃতীয় লিঙ্গের স্বীকৃতি। হিজড়া, বেদে, হরিজন, দলিতসহ অনগ্রসর জনগোষ্ঠির আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে পদক্ষেপ।
– চা শ্রমিকদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও বাসস্থানসহ বিভিন্ন সুবিধা প্রদান।
– দুর্নীতি প্রতিরোধে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পদক্ষেপ।
– নতুন বেসরকারি ৩২টি টেলিভিশন, ২২টি এফএম রেডিও এবং ৩২টি কমিউনিটি রেডিও চ্যানেলের অনুমোদন।
– জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালাসহ তথ্য অধিকার আইন প্রণয়ন ও তথ্য কমিশন প্রতিষ্ঠা।
– বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠা, সাংবাদিকদের সহায়তায় এ পর্যন্ত ৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা বিতরণ।
– জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন।
– এমডিজি ১ থেকে ৬ অর্জন। এমডিজি অ্যাওয়ার্ড, সাউথ-সাউথ অ্যাওয়ার্ড এবং ITU–এর ‘ওয়ার্ল্ড সামিট অন ইনফরমেশন সোসাইটি’ পুরস্কার অর্জন।
– জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সর্বোচ্চ পুরস্কার ‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ’ পুরস্কারে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী।
– ‘ ICTs in Sustainable Development Award ২০১৫’ অর্জন।
– জাতিসংঘে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর চেয়ারপার্সন বাংলাদেশ।
– আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের জন্য ‘ইউনেস্কো ক্যাটাগরি-২ ইনস্টিটিউট’-এর মর্যাদা অর্জন।
– ইউনেস্কো সাধারণ পরিষদের সহসভাপতি বাংলাদেশ।
– ৫২ হাজার ছিটমহলবাসীর ৬৮ বছরের মানবেতর জীবনের অবসান।
– আলোচনার মাধ্যমে ভারতের সাথে স্থলসীমানা সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান।
– ছিটমহল বিনিময়ে ১০ হাজার ৫০ একর জমি বাংলাদেশের ভূখণ্ডে যোগ।
– সমুদ্রে ১ লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটার এলাকায় দেশের নিরঙ্কুশ অধিকার প্রতিষ্ঠা।






