আলোক স্বল্পতায় ১৩.১ ওভার আগেই শেষ হয়েছে ডারবান টেস্টের প্রথম দিনের খেলা। সাউথ আফ্রিকা ৪ উইকেট হারিয়ে তুলেছে ২৩৩ রান। পুরো খেলা মাঠে গড়ালে আর যদি স্বাগতিকদের একটি-দুটি উইকেট তুলে নেওয়া যেত তাহলে দিনটি বাংলাদেশের বলাই যেত!
শুরু থেকেই রান বিলিয়ে যাওয়া ইবাদত হোসেন শেষ সেশনে ফেরান রায়ান রিকলটনকে। প্রথম উইকেট জুটিতে শতরান পেরোনো দল দুইশর আগেই হারায় ৪ উইকেট। তাতে স্বস্তি ফেরে বাংলাদেশ দলে।
১৮০ রানের মধ্যে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়া প্রোটিয়াদের টেনে নেন টেম্বা বাভুমা ও কাইল ভেরেইনা। পঞ্চম উইকেটে জুটি দুজন ফিফটি পাড়ি দেন। বাভুমা ৫৩ ও ভেরেইনা ২৭ রানে অপরাজিত আছেন। জুটি ভাঙার চ্যালেঞ্জ নিতে দ্বিতীয় নতুন বল হাতে পাওয়ার আগেই আলোর স্বল্পতায় খেলা বন্ধ হয়ে যায়। ৭৬.৫ ওভার খেলা হয়েছে তখন। মাঠ ছেড়ে গেলেন ক্রিকেটাররা। দিনের শুরুতে খেলা ৩৩ মিনিট দেরিতে শুরু হয়েছিল সাইটস্ক্রিনের সমস্যায়।
প্রথম সেশনের হতাশা কাটে লাঞ্চ বিরতির পরই। দুই ওভারে বিদায় নেন সাউথ আফ্রিকার দুই ওপেনার। ৩২ ওভার পর বাংলাদেশ পায় জোড়া সাফল্য। পরে মেহেদী হাসান মিরাজ দুর্দান্ত ফিল্ডিং ও থ্রোয়ে রান আউট করেন আরও এক প্রোটিয়া ব্যাটারকে। দ্বিতীয় সেশনে বাংলাদেশ তুলে নেয় তিন উইকেট। ৩৩ রানের মধ্যে সাজঘরে ফেরেন তিনজন। অথচ ওপেনিং জুটিতেই তারা পেরিয়ে যায় একশর মাইলফলক।
বাংলাদেশের হয়ে প্রথম আঘাতটি হানেন খালেদ আহমেদ। ডিন এলগারকে ফিরিয়ে স্বস্তি এনে দেন। ১১৩ রানের মাথায় প্রথম উইকেট হারানো প্রোটিয়াদের আরেক ওপেনার সারেল এরউইকে সাজঘরের পথ দেখান মিরাজ।
ম্যাচের ৩৩.২ ওভারে খালেদের বলে উইকেটের পেছনে লিটনের অসাধারণ ক্যাচ হন এলগার। ১০১ বলে ৬৭ রান করে ফেরেন স্বাগতিক অধিনায়ক। পরের ওভারেই মিরাজের ঘূর্ণিতে পরাস্ত হন এরউই, হন বোল্ড। তার ব্যাট থেকে আসে ১০২ বলে ৪১ রান।
মিরাজ পরে পয়েন্ট থেকে দৌড়ে কাভারে গিয়ে ডান দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে সরাসরি থ্রোয়ে কেগান পিটারসেনকে রান আউট করেন। ডানহাতি ব্যাটার করেন ১৯ রান। দেড়শর আগেই তিন উইকেট হারায় সাউথ আফ্রিকা।








