ইনিংসের প্রথম বলে ছক্কা হজমের অভিজ্ঞতা আছে খুব কম বোলারের। সেই বাজে অভিজ্ঞতাটি হল নাসির হোসেনের। সিলেট সিক্সার্সের অফস্পিনারকে প্রথম বলেই সোজা ব্যাটে খেলে ছক্কা হাঁকান চিটাগং ভাইকিংসের ওপেনার লুক রঞ্চি। এটিই যেন তাতিয়ে দেয় সিলেট অধিনায়ককে। পরের বলেই বোল্ড করে দিলেন কিউই ব্যাটসম্যানকে। ওভারের শেষ বলে আউট সৌম্য সরকার।
নিজের দ্বিতীয় ওভারের পঞ্চম বলে লুইস রিস। পরের ওভারে নাসিরের শিকার তানবীর হায়দার। আর শেষ ওভারে স্টিয়ান ভ্যান জিল। রোববার ৪ ওভারে ৩১ রান দিয়ে নাসির তুলছেন ৫ উইকেট। প্রথম বলে ছক্কা হজমের ম্যাচেই ক্যারিয়ারের সেরা বোলিংটা করলেন নাসির!
যেকোনো ধরনের ক্রিকেটেই এটি নাসিরের সেরা বোলিং। টি-টুয়েন্টিতে আগের সেরা বোলিং ছিল ১২ রানে ৩ উইকেট। ওয়ানডে ও প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে একবার করে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন নাসির। তবে রান খরচায় এটিই কম।
টানা বোলিং করে যাওয়া নাসিরের ঘূর্ণি জাদুর স্পেল শেষ হওয়ার পর শরিফউল্লাহ ও নাবিল সামাদ দ্রুত উইকেট তুললে মাত্র ৬৭ রানে গুটিয়ে যায় পয়েন্ট টেবিলের তলানির দল চিটাগং। তাদের ইনিংস স্থায়ী হয় ১২ ওভার। বিপিএলে সর্বনিম্ন রানের দিক থেকে চতুর্থ স্থানে থাকল চিটাগংয়ের ইনিংসটি।
নাবিল সামাদ তিনটি ও শরিফউল্লাহ নেন দুটি করে উইকেট। সিলেটের তিন স্পিনার মিলেই তুলেছেন চিটাগংয়ের সবকটি উইকেট।
ইরফান শুক্কুরের ব্যাট থেকে আসে সর্বোচ্চ ১৫ রান। এছাড়া রিস ১২ ও ভ্যান জিল করেন ১১ রান। দলের আর কেউ দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি।








