সৌদি আরবের নতুন ভিসা নীতিতে হজের ভিসা ফি’র ব্যাপারে বড় একটি পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন নীতি অনুসারে, অন্যান্য দেশ থেকে প্রথমবারের মতো হজ বা ওমরাহ করতে সৌদি যাওয়া ব্যক্তিদের ভিসা করতে কোনো রকম ফি পরিশোধ করতে হবে না।
সৌদি কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন দেশটিতে অবস্থিত বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা।
গত সোমবার সৌদি আরবের মন্ত্রিসভায় গৃহীত নতুন ভিসা নীতিমালায় হজ ফি’র ব্যাপারে নেয়া সিদ্ধান্তকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে স্বাগত জানান সেখানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মোশি।
তিনি বলেন, ‘আতিথেয়তার জন্য বিখ্যাত রাজ্যটির এই সিদ্ধান্তটি মহানুভবতার আরও একটি বহির্প্রকাশ।
রাষ্ট্রদূত সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদকে এজন্য ধন্যবাদ দিয়ে একই সঙ্গে দুর্দশাগ্রস্ত বিদেশি শ্রমিকদের কষ্ট লাঘবে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানান।
আল্লাহর মেহমানদের সেবা করায় সৌদি আরবের কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করে শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রদূত আজমি থাসিম বলেন, মুসলিম জাহানের জন্য নতুন ভিসা নীতি একটি সুখবর। ‘নতুন হজযাত্রীদের জন্য এটি সৌদি সরকারের নেয়া এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ,’ বলেন তিনি।
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, প্রথমবারের হজ মুসলিমদের জন্য বাধ্যতামূলক। তবে তারা যদি দ্বিতীয়বারও হজ করতে চান, তবে পবিত্র এই কাজে অংশ নিতে বাকি নতুন হাজিদের সমস্যা হতে পারে।
পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত মনজুর-উল হক এ বিষয়ে বলেছেন, ‘দুই পবিত্র মসজিদের অভিভাবক বাদশাহ সুলতানের দূরদৃষ্টি আর জ্ঞানের প্রতি আমার কোনোই সন্দেহ নেই। তার প্রথমবারের মতো হজ করতে আসা ব্যক্তিদের বিনামূল্যে ভিসা করার সুযোগ দেয়ার সিদ্ধান্ত প্রশংসনীয়।’
অন্যদিকে সৌদিতে জার্মান রাষ্ট্রদূত ডিটার ডব্লিউ. হলার একে দেখেছেন অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে। তিনি বলেন, ‘আমরা নতুন ঘোষণাটিকে বিভিন্ন দিক থেকে বিশ্লেষণ করছি।’
জার্মান রাষ্ট্রদূত মনে করেন, নতুন নীতিমালা সৌদি আরব এবং তার ব্যবসায়িক অংশীদারদের মধ্যকার ব্যবসা প্রক্রিয়াকে আরও সহজ করবে। পাশাপাশি সবার জন্য উন্নত ব্যবস্থাও নিশ্চিত করবে।







