দুর্দান্ত শুরুর পর ২ গোলে এগিয়ে গিয়েও শেষ পর্যন্ত পেনাল্টিতে জিততে হল বার্সেলোনাকে। আন্তর্জাতিক চ্যাম্পিয়ন্স কাপে নির্ধারিত সময়ের খেলা ২-২ গোলে ড্র হওয়ার পর পেনাল্টিতে টটেনহ্যাম হটস্পারকে ৫-৩ গোলে হারিয়েছে বার্সা।
মেসি-সুয়ারেজ না থাকায় এই ম্যাচে দলের দায়িত্ব পড়েছিল তরুণদের ঘাড়ে। সে দায়িত্ব কষ্টে হলেও পালন করেছেন তারা। ১৫ মিনিটে মুনিয়ের আল হাদ্দাদির গোলে লিড নেয় বার্সা। প্রথমার্ধের আঘাণ্টার মধ্যে অভিষিক্ত আর্থারের গোলে দ্বিতীয়বার লিড নেয় তারা। ২৯ মিনিটে চোখ ধাঁধানো এক গোল করেন ব্রাজিল থেকে এই মৌসুমেই উড়িয়ে আনা আর্থার।
২ গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে যায় বার্সা। কিন্তু ফিরে এসে আর ধারটা ধরে রাখতে পারেনি। একাধিক আক্রমণ করলেও কাজের কাজ হয়নি। উল্টো ৭৩ মিনিটে কাতালানদের একটি গোল ফেরত দেন টটেনহ্যামের সাউথ কোরিয়ান তারকা সন হিউং-মিন।
দুই মিনিট পর ইংলিশ দলটিকে সমতায় ফেরান ফ্রান্সের উঠতি তারকা জর্জেস-কেভিন এন’কুদু। পরের ১৫ মিনিটে কোনো দলই আর গোল করতে পারেনি। ফলে ম্যাচ গড়ায় পেনাল্টিতে। তাতে টটেনহ্যামকে ৫-৩ গোল হারিয়ে দেয় বার্সা। স্প্যানিশ দলটির হয়ে জয়সূচক গোলটি করে মাত্র চারদিন আগে দলে ভেড়ানো ব্রাজিলিয়ান তরুণ ম্যালকম।
বার্সেলোনার জয়ে দিনে দুই রকম স্বাদ পেয়েছে ইংল্যান্ডের দুই জায়ান্ট ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও ম্যানচেস্টার সিটি। বায়ার্ন মিউনিখের বিরুদ্ধে দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত ২-৩ গোলে জিতেছে পেপ গার্দিওলার সিটি। আর লিগ প্রতিদ্বন্দ্বী লিভারপুলের কাছে ৪-১ গোলে হেরে গেছে হোসে মরিনহোর ম্যানইউ।
সাবানি ও রোবেনের গোলে ম্যাচের ২৪ মিনিটেই ২-০তে লিড নেয় বায়ার্ন। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে এক গোল শোধ করেন সিটির বেনার্দো সিলভা। পরে ৭০ মিনিটে দলের জয়সূচক গোলটিও আসে তার পা থেকে। মাঝে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে (৫১ মিনিটে) সিটির হয়ে সমতা ফেরান জার্মান তরুণ লুকাস এনমেচা।
অন্যদিকে, ম্যাচের ২৮ মিনিটে সাদিও মানের পেনাল্টি গোলে এগিয়ে যায় লিভারপুল। তবে তিন মিনিট পরই ম্যানইউকে সমতায় ফেরান আন্দ্রেস পেরেইরা। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধের ৬৬ মিনিটে ড্যানিয়েল স্টুরিজ, ৭৪ মিনিটে শেই ওজো এবং ৮২ মিনিটে এবারের নতুন রিক্রুট সুইজারল্যান্ডের জাদরান শাকিরি গোল করলে বড় জয় পায় ইয়ুগেন ক্লপের দল।








