পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) অধীনে সাইবার পুলিশ ইউনিটের অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী এই সাইবার পুলিশ সেন্টার নামে পুলিশের নতুন এই ইউনিটের অনুমোদন দেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছাড়াও সাইবার জগতের অপরাধ ঠেকাতে এবার ‘সাইবার পুলিশ সেন্টার’ নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট গঠন করা হয়েছে বলে চ্যানেল আই অনলাইনকে জানিয়েছেন সিআইডি’র সিনিয়র সহকারী পরিচালক (এএসপি) শারমীন জাহান।
তিনি বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় এবং অর্গানাইজড ক্রাইম ইউনিটের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় চূড়ান্ত অনুমোদন পেল এ ইউনিট। জনগণের সেবায় ও সাইবার ক্রাইম দমনে এ ইউনিট আগামী দিনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।
সাইবার ইউনিটের দায়িত্বে থাকবেন একজন ডিআইজি। মোট জনবল থাকবে ৩৪২। তারা দেশব্যাপী কাজ করবেন। আর তাদের যানবাহন থাকবে ৪৯টি।
ইউনিট প্রধান থাকবে একজন উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি)। তার অধীনে থাকবে দুইজন অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি), তিনজন পুলিশ সুপার, ছয়জন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ১৮জন সহকারী পুলিশ সুপার, ৪৫জন পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর), ১৪০ জন উপ-পরিদর্শক (এসআই), ১০জন সহকারি উপ-পরিদর্শক (এএসআই) ও ৭৫ জন কনস্টেবল।
রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি’র প্রধান কার্যালয়ের ভেতরে খুব শিগগিরই ‘সাইবার পুলিশ সেন্টার’ নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিটটির কার্যক্রম শুরু হবে।
গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাজধানীর উত্তরায় এপিবিএন-এর একটি অনুষ্ঠানে আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ছড়িয়ে পড়া গুজব ঠেকাতে পুলিশের নতুন একটি ইউনিট গঠনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। যা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
‘অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে ছাড়পত্র পেলেই এই ইউনিটের কাজ শুরু হয়ে যাবে। জনবল প্রস্তুতেরও কাজ চলছে। যাদের এ ইউনিটে পদায়ন করা হবে তাদের প্রশিক্ষণের জন্য বিদেশেও পাঠানো হচ্ছে।’








