স্বাস্থ্য

পিসিওএস’র ফলে বাড়ছে নারীদের স্বাস্থ্য জটিলতা: গবেষণা

বর্তমানে ১০ জন নারীর মধ্যে ২-৩ জন এই সমস্যায় ভুগছেন

পিসিওএসের কারণে নারীদের স্বাস্থ্যের ঝুঁকি বোঝাতে একজন মহিলার ছবি. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

একজন মহিলার হাতে পিসিওএস লেখা কাগজ ধরে থাকা ছবি, যা নারীদের স্বাস্থ্যের জন্য পিসিওএসের গুরুত্ব বোঝায়।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ

বর্তমানে নারীদের মাঝে মহামারির মতো ছড়িয়ে পড়েছে যে ব্যধিটি তা হল পিসিওএস। যার পূর্ণরূপ পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম।

পিসিওএস হল ডিম্বাশয়ে একাধিক ছোট ছোট সিস্ট থাকা। পিসিওএস এর ফলে প্রভাব পরে ফিমেল হরমোন তথা ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরনের ওপর।

একজন নারীর পুরুষ হরমোন টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। যার ফলে নারীদের আর্লি মেনোপোজ, বান্ধত্য, পিরিয়ড সময় মতো বা সঠিক পরিমাণে না হওয়ার মতো নানা প্রতিবন্ধকতা দেখা দিতে পারে।

এছাড়াও পিসিওএস-র ফলে ওজন বেড়ে যাওয়া, শরীরে অবাঞ্ছিত লোম, চুল পড়ার মতো নানা সমস্যাও দেখা যায়।

নারী শরীরে এ রোগের প্রভাব কেমন হতে পারে এবং নারীদের সচেতন করার জন্য করা হয়েছে বিভিন্ন গবেষণা।

আর্ন্তজাতিক নারী দিবসের আগে হার্ভাড টিএইচ চ্যান স্কুল অফ পাবলিক হেলথ, ন্যাশনাল ইনস্টিউট অফ এনভায়রনমেন্টাল হেলথ সায়েন্স এবং অ্যাপল যৌথাভাবে একটি গবেষণা পরিচালনা করেছে।

গবেষণায় মূলত অনিয়মিত পিরিয়ড, পিসিওএস এবং হার্টের সমস্যার মধ্যে সম্পর্ক আছে কিনা, তা খোঁজার চেষ্টা করা হয়েছে।

গবেষণায় বলা হয়েছে, পিসিওএস বিভিন্ন রোগের কারণ হতে পারে, যার ফলে নারীদের স্বাস্থের আরও অবনতি ঘটে। ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল, স্থূলতা এবং কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুকিঁ বাড়ার কারণ হতে পারে পিসিওএস।

২০১৯ সালের নভেম্বর থেকে ২০২১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত এ গবেষণাটি পরিচালনা করা হয়েছে। যেখানে ৩৭ হাজারের ও বেশি নারী অংশগ্রহণ করেছিল যার মধ্যে ১২ শতাংশেরও বেশি নারীদের পিসিওএসে আক্রান্ত ছিল।

আগে ধারণা করা হত ২০ থেকে ৩০ বছরের নারীরা এ রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। তবে অ্যাপল পরিচালিত গবেষণা অনুসারে বয়ঃসন্ধিকাল থেকেই অর্থাৎ ১৪ থেকে শুরু করে ৩৫ বছরের নারীরা ও পিসিওএসে আক্রান্ত হতে পারে।

বিষয়:পিসিওএস স্বাস্থ্য

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…