প্রতিবেশী রাষ্ট্র সহ দেশের অনেক রথী-মহারথী পিলখানা ট্রাজেডির সঙ্গে জড়িত রয়েছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, প্রত্যেকটি বিদ্রোহের ঘটনা সফলভাবে দমন করা গেলেও পিলখানা ট্রাজেডির ঘটনা দমন করা যায়নি। কারণ পরিকল্পনাকারীরা আগেই আওয়ামী লীগ নেতাদের বাড়িতে গিয়ে দেখা করে আসে।
মেজর হাফিজ বলেন, পিলখানা ট্রাজেডি স্মরণে অনেক আগে থেকেই ২৫ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা উচিত ছিল। কিন্তু ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ তাদের আত্মীয়-স্বজনের বাইরে অন্য কোনো কিছুতে জাতীয় শোক পালনে রাজি নয়।
শুক্রবার সকালে তোপখানাস্থ শিশুকল্যাণ মিলনায়তনে পিলখানা ট্রাজেডির ৮ম বার্ষিকী স্মরণে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি(বাংলাদেশ ন্যাপ) আয়োজিত ‘বিডিআর হত্যাকান্ড : বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাফিজউদ্দিন এসব কথা বলেন।
ন্যাপ চেযারম্যান জেবেল রহমান গানি’র সভাপতিত্বে সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভুইয়া। দলের নগর সদস্য সচিব মো. শহীদুননবী ডাবলু’র সঞ্চালানায় আলোচনায় অংশগ্রহন করেন এনডিপি চেয়ারম্যান খোন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, জাতীয় দলের চেয়ারম্যান এডভোকেট সৈয়দ এহসানুল হুদা, কল্যাণ পার্টির মহাসচিব এমএম আমিনুর রহমান, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মামুন বিল্লাহ, এনডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, কল্যাণ পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান সাহিদুর রহমান তামান্না, সাবেক ছাত্রনেতা কাজী মনিরজ্জামান মনির, ন্যাপ ভাইস চেয়ারম্যান কাজী ফারুক হোসেন, সম্পাদক মো. কামাল ভুইয়া, মতিয়ারা চৌধুরী মিনু, ছাত্র কেন্দ্রের সমন্বয়কারী সোলায়মান সোহেল প্রমুখ।








