পাহাড় ধসে রাঙামাটিতে আরও ৫ জন এবং কক্সবাজারের টেকনাফে ২ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে ৩ জেলায় মৃতের সংখ্যা সর্বমোট ১শ’৩৮ জনে দাঁড়িয়েছে।
মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টায় টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং মডেল ইউনিয়নের পশ্চিম সাতঘরিয়াপাড়া গ্রামে পাহাড় ধসে নিহতরা হলেন, মো. সেলিন (৪২) এবং তার মেয়ে কিশোমণি (৩)।
স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রতিদিনের মতো পরিবারের সবাই ঘুমিয়ে পড়লে রাত ৩টার দিকে হঠাৎ বিকট শব্দে পাহাড় ধসে মাটি চাপা পড়ে।
এসময় তাদের প্রতিবেশীরা এসে দ্রুত উদ্ধার কাজে নেমে পড়লেও ঘটনাস্থলে মো. সেলিন ও তার মেয়ে কিশোমণি নিহত তয়।
এছাড়া পাহাড় ধসের ঘটনায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের মধ্যে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।
চট্টগ্রাম-রাঙামাটি সড়ক চালু করতে গিয়েই মঙ্গলবার প্রাণ হারিয়েছে সেনাবাহিনীর চার সদস্য।
রাঙামাটির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) প্রকাশ কান্তি চৌধুরি জানিয়েছেন, এসব এলাকায় সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস, স্কাউট ও পুলিশ সদস্যরা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে উদ্ধার কাজ করছে।
লঘুচাপের প্রভাবে রোববার থেকে সারা দেশে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়। সোমবার থেকে চট্টগ্রাম-রাঙামাটি-বান্দরবানে শুরু হয় পাহাড় ধস।
এঘটনায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাঙামাটি। সেখানে প্রায় ৩দিন ধরে পাহাড় ধসে এক শ’ র বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটে। রাঙামাটি সদর হাসপাতালে ভর্তি ভর্তি আছেন কমপক্ষে ৮০জন।







