যশোর সদর পৌরসভা নির্বাচনে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ আর পাল্টা অভিযোগের মধ্য দিয়ে চলছে মেয়রদের নির্বাচনী প্রচারণা। রিটার্নিং কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অভিযোগ পাওয়া মাত্র নিরপেক্ষ তদন্ত করে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নির্বাচন উপলক্ষে যেন উৎসবের আমেজ। সারি সারি পোস্টার আর মাইকিংয়ে সরগরম দক্ষিনের ট্রানজিট পয়েন্ট যশোর সদর পৌরসভার নির্বাচনী প্রচারনা। এ নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আওয়ামী লীগের প্রার্থী যুবলীগ নেতা জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টু বলেছেন, উন্নয়নের স্বার্থেই জনগন তাকেই নির্বাচিত করবেন।
তিনি আরো বলেন, আমি নির্বাচিত হলে আগামী দিনে আপনাদের পাশে থেকে এলাকার উন্নয়ন করতে চাই।
বৃটিশ ভারতের দ্বিতীয় এবং দক্ষিনের সব থেকে বড় এই পৌরসভার বর্তমান মেয়র মারুফুল ইসলাম এবারও বিএনপির প্রার্থী। মামলার কারণে এখনো প্রকাশ্যে না আসলেও তার পক্ষে নির্বাচনের মাঠে আছেন বিএনপির জেলা নেতারা। বিএনপি মেয়র প্রার্থীর পক্ষে মনির আহমেদ সিদ্দিকি বাচ্চু বলেন, নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন এখনো নির্বাচন করার ক্ষেত্রে যে আমাদের শান্তিপূর্ণ অবস্থান সে অবস্থানটি তৈরি করেনি।
তবে এ নির্বাচনে অভিযোগের শেষ নেই আওয়ামী লীগের বহিস্কৃত নেতা জগ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনের মাঠ থাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র কামরুজ্জামান চুন্নুর। স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী কামরুজ্জামান চুন্নু বলেন, জনগণের মধ্যে একটা আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে যাতে তারা ভোট কেন্দ্রে না যায়। সুষ্টু নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হতে পারে সেই অপচেষ্ঠা তারা করছেন।
নির্বাচনকে অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু করতে সবার সহযোগিতা চেয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। যশোর সদর পৌরসভা রিটার্নিং কর্মকর্তা সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, আমি অবশ্যই নিরোপেক্ষ থাকবো।






