মিরাজ, তাইজুল, নাঈম এবং অধিনায়ক সাকিব নিজে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের স্কোয়াডে বাংলাদেশের স্পেশালিস্ট স্পিন ভাণ্ডার। জহির, নবি, অধিনায়ক রশিদ নিজে সফরকারীদের স্পিন আক্রমণের দায়িত্বে। বাংলাদেশের পিচের আচরণ গণনায় নিলে চট্টগ্রামে কি স্পিন ভার্সেস স্পিনের মল্লযুদ্ধে ঠিক হতে যাচ্ছে ম্যাচের গতিপথ?
সাকিব আল হাসান অন্তত সেভাবে ভাবছেন না। দুদলেই যেহেতু মানসম্পন্ন স্পিনারের ছড়াছড়ি, সেদিক থেকে সুবিধা আদায় করতে সচেষ্ট থাকবে উভয় প্রতিপক্ষই। টাইগারদের টেস্ট অধিনায়ক তাই মনে করছেন, আফগান টেস্টে পার্থক্য গড়ে দিতে পারে মূলত ব্যাটিং।
ঘরের মাঠে খেলা, চেনা উইকেট, চেনা দর্শকের সামনে স্বাগতিক স্পিনাররা বাড়তি কোনো নিয়ামক হয়ে উঠেতে পারে কিনা? এমন প্রশ্নে টেস্টের আগেরদিন সংবাদ সম্মেলনে সাকিব খেললেন সোজা ব্যাটেই!
‘দেশে আমরা তো ভালোই বোলিং করে এসেছি। আমাদের স্পিনার যখনই সুযোগ পেয়েছে, তাদের পছন্দমতো উইকেট পেয়েছে, সবসময় ভালো করেছে। কিন্তু ওদের (আফগান) কাছেও কোয়ালিটি স্পিনার আছে। এক্ষেত্রে আমার কাছে মনে হয় দুদলের পার্থক্যটা গড়ে দিতে পারে ব্যাটিং।’
আফগানিস্তান নতুন টেস্ট খেলুড়ে দেশ। টেস্টে ভালো করার অন্যতম নিয়ামক মনোযোগ ধরে রেখে দীর্ঘ সময় ব্যাটিং করে চলা। বাংলাদেশ সাদা পোশাকের দীর্ঘ পথ চলায় অনেকবারই সেটা করতে ব্যর্থ হয়েছে। বিশেষ করে শুরুর দিকে ভুগতে হয়েছে উইকেটে পড়ে থাকতে না পারার জন্য। আফগানরা নতুন নতুন টেস্ট খেলছে, নবীন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে এমনকিছুর সুযোগ নিতে পারবে বাংলাদেশ?
‘এটা একটা ভালো পয়েন্ট, তবে আমাদের এটাও চিন্তা করতে হবে ওরা যখন এ-টিমের বিপক্ষে খেলেছে, ওরা কিন্তু কনসেনট্রেশন ধরে রেখেই ব্যাটিং করেছে। দুই দিনের ম্যাচেও (প্রস্তুতি ম্যাচে) কিন্তু ওদের দুই ওপেনার ভালো ধৈর্যের পরিচয় দিয়ে ব্যাটিং করেছে। আসলে আমরা যদি আমাদের বেসিক কাজগুলো ঠিকভাবে করতে পারি বা কনসেনট্রেশন লেভেলটা ভালো রাখতে পারি, আমার মনে হয় আমরা ভালোকিছু করতে পারব।’ সাকিব ভরসা রাখছেন নিজেদের সক্ষমতার উপরই।
বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে গড়াবে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সাকিবের দলের একমাত্র টেস্টের সিরিজ। তবে বাংলাদেশের এই লড়াই আইসিসির টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের আওতায় পড়বে না, আফগানরা আইসিসি টেবিলে নয়ের বাইরের দল হওয়ায়।







