কোহলি-যুবরাজের ব্যাটে চাপা পড়লো আমির সাফল্য। ইনিংসের শুরুতেই ৮ রানের মধ্যে ভারতের তিন টপ-অর্ডার ব্যাটসম্যানকে তুলে নিয়ে পাকিস্তানের জয়ের কিছুটা সম্ভাবনা তৈরী করেছিলেন মোহাম্মদ আমির। কিন্তু, পাকিস্তানীদের স্বপ্নকে মরীচিকা বানিয়ে সামান্য সে সম্ভাবনাও দুমড়ে মুচড়ে কোহলি-যুবরাজ জুটির ৬৮ রানে ভারত প্রত্যাশিত জয় পেয়েছে ৬ উইকেটে। সর্বোচ্চ ৪৯ রান করেছেন কোহলি।
পাকিস্তানের ছুঁড়ে দেওয়া ৮৩ রানের মামুলি স্কোর তাড়া করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে ভারতীয় বিশ্বসেরা ব্যাটিং লাইনআপ। প্রথম তিনটি উইকেটই তুলে নেন নিষেধাজ্ঞা থেকে ফেরা পেসার মোহাম্মদ আমির।
ইনিংসের শুরুতেই স্কোর বোর্ডে ২ রান যোগ হতেই ব্যক্তিগত শূন্য রানে রোহিত শর্মা এবং অাজিঙ্কা রাহানেকে ফিরিয়ে দেনন এ সেনসেশনাল বোলার। দু’জনই এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন।
রোহিত-রাহানের বিদায়ে রায়না এবং কোহলি দলের হাল ধরলেও উইকেটে থিতু হওয়ার আগেই প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন রায়না। তিনিও আমিরের শিকার। ওহাব রিয়াজের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে আসে মাত্র ১ রান।
এরপরই ঘুরে দাঁড়ায় ভারতীয় ব্যাটিং লাইনআপ। কোহলি-যুবরাজ জুটি থেকে তুলে নেয় ৬৮ রান। দল জয় থেকে ৮ রান দূরে থাকতে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন কোহলি। মোহাম্মদ সামির শিকারে পরিণত হওয়ার আগে তার ব্যাট থেকে আসে মহা মূল্যবান ৪৯।
স্কোর বোর্ডে কোনো রান যোগ না হতেই কোহলির জায়গায় নামা হার্দিক পান্ডে ফিরে গেলেও ভারতকে জয়ের বন্দরে পৌঁছাতে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি। ধোনি-যুবরাজ জুটিতে ৫ উইকেটের জয় পায় ভারত।
এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই মোহাম্মদ হাফিজকে ফিরিয়ে ভারতকে সাফল্য এনে দিয়েছিলেন পেসার আশিস নেহরা। উইকেটের পেছনে ধোনির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে তিনি চার বল খেলে সংগ্রহ করেন ৪ রান।
এরপর থেকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে পাকিস্তান। মাত্র ৭০ রানের মধ্যে ৮ উইকেট হারিয়ে টি২০ তে নিজেদের সর্বনিম্ন রানে আউট হওয়ার শঙ্কায়ও পড়েছিলো তারা। শেষ পর্যন্ত সরফরাজ আহমেদের ২৫ রানের ওপর ভর করে পায় লড়াইয়ের কিছুটা পুঁজি। ২২ বল বাকি থাকতেই ৮৩ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। যা পরে সামান্য হিসেবেই প্রমাণ হয় ভারতের সামনে।
এ সাফল্যে এশিয়া কাপে টানা দ্বিতীয় জয় পেলো ভারত।






