পাকিস্তানের বিপক্ষে আগুন ঝরিয়ে সেমিতে বাংলাদেশ

জয়ই চাই। বিকল্প নেই। পাকিস্তানের বিপক্ষে তাদেরই মাঠে এই ছিল বাংলাদেশের সামনে একমাত্র সমীকরণ। সমীকরণকে মাথায় রেখে প্রথমে ব্যাটে আগুণ ঝরালেন ব্যাটসম্যানরা। তাতে সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩০৯ রান। পরে একইপথে হেঁটে বাংলাদেশকে ইমার্জিং কাপের সেমিফাইনালে তোলার রাস্তা গড়েছেন বোলাররা।
করাচিতে পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-২৩ দলের বিপক্ষে ৮৪ রানের বড় জয়ে ইমার্জিং কাপের পরের রাউন্ড নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল।
দিনের আরেক খেলায় আরব আমিরাত-হংকং ম্যাচটি বৃষ্টিতে ভেসে যায়। তাতে জটিল সমীকরণের পথে হাঁটতে হয়নি। গ্রুপ ‘বি’তে রানার্সআপ হয়েছে টাইগাররা। বাংলাদেশের কাছে হেরেও সমান চার পয়েন্ট নিয়ে রানরেটে এগিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান। পরিত্যক্ত ম্যাচে এক পয়েন্ট পাওয়া আরব আমিরাত ৩ পয়েন্টে হয়েছে গ্রুপের তৃতীয়।
আরব আমিরাতের কাছে প্রথম ম্যাচে বাজে হারের পর হংকংয়ের বিপক্ষে জয় পেতেও ঘাম ঝরেছে বাংলাদেশের। হংকংয়ের বিপক্ষে যার ব্যাট জ্বলেছিল, সেই মোসাদ্দেক হোসেন পথ দেখান পাকিস্তানের বিপক্ষেও। আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি হাঁকানোর পর এ ম্যাচে ৭৪ বলে অপরাজিত ৮৫ রান জাতীয় দলের বাইরে থাকা এ অলরাউন্ডারের ব্যাটে। ৪টি ছয় আছে মোসাদ্দেকের নামের পাশে, চার এসেছে একটি কম।
পাকিস্তানের বিপক্ষে অবশ্য ধারাবাহিক ছিলেন বাংলাদেশের প্রায় সব ব্যাটসম্যানই। ওপেনার জাকির হাসান ৬৯ রান করেছেন। ৫৬ করেছেন মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান ইয়াসির আলী। এক রানের জন্য ফিফটির দেখা পাননি নাজমুল হোসেন শান্ত।
৩১০ রান তাড়া করতে নেমে টাইগার বোলারদের তোপের মুখে ১৯ বল বাকি থাকতেই ২২৫ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। হংকং ম্যাচের মতো এ ম্যাচেও জোড়া উইকেট শিকার মোসাদ্দেকের। সর্বোচ্চ ৩ উইকেট পেয়েছেন নাঈম হাসান।




