কার্ডিফের সোফিয়া গার্ডেনে নিজেদের দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচে রোববার পাকিস্তানের প্রতিপক্ষ ইনফর্ম বাংলাদেশ। সাম্প্রতিক ফর্মের সঙ্গে টাইগারদের বিপক্ষে পাকিস্তানিদের চিন্তায় রাখছে পাঁচ বছরের খরাও। ২০১৪’র পর বাংলাদেশের বিপক্ষে জিততে পারেনি ‘গ্রিন আর্মিরা’।
বিশ্বকাপের আগে পাকিস্তান দলের পারফরম্যান্স অত্যন্ত খারাপ। সাউথ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া এবং ইংল্যান্ড- সব দলের বিরুদ্ধেই সিরিজ হেরেছে তারা। এরমধ্যে, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ০-৫, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ০-৪তে।
বিশ্বকাপের প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৩ উইকেটে হেরেছে পাকিস্তান। রোববার তাদের দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচে প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ। মূলপর্বের আগে এটাই শেষ প্রস্তুতি ম্যাচ পাকিস্তানের। কিন্তু নিজেদের ফিরে পাওয়ার ম্যাচে সরফরাজ আহমেদের দল সামনে পাচ্ছে কদিন আগেই ফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ জেতা আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশকে।
বাংলাদেশের সঙ্গে মোট লড়াইতে ৩১-৫ ব্যবধানে এগিয়ে থাকলেও গত পাঁচ বছর খরার মধ্যে আছে পাকিস্তান। ৫০ ওভারের ম্যাচে ২০১৪’র মার্চের পর টাইগারদের বিপক্ষে জয়ের দেখা পায়নি তারা। সবশেষ চার ম্যাচে লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের কাছে হেরেছে ওয়াসিম-ওয়াকারের উত্তরসূরিরা।
সবসময়ই পাকিস্তানের বড় শক্তি বোলিং। সেই বোলিংই এখন তাদের বড় চিন্তার কারণ। সবশেষ আফগানদের বিপক্ষে ম্যাচেও একমাত্র ওয়াহাব রিয়াজ ছাড়া ইতিবাচক ইঙ্গিত নেই অন্য কারো কাছ থেকে।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টানা তিন ম্যাচে তিনশ ছাড়া স্কোর গড়লেও আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাবর আজম ও শোয়েব মালিক ছাড়া ব্যর্থ অন্যরা। সেঞ্চুরি তোলা বাবর করেন ১১২ এবং মালিকের ব্যাট থেকে আসে ৪৪ রান।
অন্যদিকে, পাকিস্তানের ঠিক উল্টো অবস্থায় বাংলাদেশ। টপফর্মে আছেন টাইগারদের টপঅর্ডারের তিন তারকা ব্যাটসম্যান সৌম্য সরকার, তামিম ইকবাল ও মুশফিুকর রহিম। এদের সঙ্গে আছেন অভিজ্ঞতায় ভরপুর ও বিশ্বের একনম্বর ওয়ানডে অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।








