উইকেটের যে অবস্থা ছিল সেটি ব্যাটসম্যানদের কঠিন পরীক্ষাই নিতো। তাতে ফেল পাকিস্তানিরা। সুবিধাজনক অবস্থানে থেকেও দ্বিতীয় ইনিংসে একশর নিচে গুটিয়ে যেয়ে হেরে বসেছে সফরকারী দলটি। বার্বাডোজ টেস্টে ১০৬ রানের জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে সমতা ফিরিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
শ্যানন গ্যাব্রিয়েল একাই পাকিস্তানকে ধসিয়ে দিয়েছেন। তার ক্যারিয়ার সেরা ১১ রানে ৫ উইকেটে পাকিস্তান দ্বিতীয় ইনিংসে অলআউট হয় ৮১ রানে। জেসন হোল্ডারের দল অতিথিদের প্রথম ইনিংসে গুটিয়ে দিয়েছিল ৩৯৩ রানে। আর নিজেরা দুই ইনিংসে যথাক্রমে ৩১২ ও ২৬৮ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল।
পাকিস্তানকে ৩৪.৪ ওভারে অলআউট করে দেয়ার নায়ক পেসার গ্যাব্রিয়েল পাঁচ উইকেট নিয়েছেন মাত্র ১১ ওভার বল করে। প্রথম ইনিংসে ৮১ রানে চার উইকেট নিয়েছিলেন। মোট ৯২ রানে ৯ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরার পুরস্কার হাতে তুলেছেন। তাকে যোগ্য সঙ্গ দিয়ে অধিনায়ক হোল্ডার ৩টি ও আলঝারি জোসেফ ২টি করে উইকেট নিয়ে প্রতিপক্ষকে গুঁড়িয়ে দিতে ভূমিকা রেখেছেন।
পাকিস্তান একসময় ৩৬ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে আরো বেশি লজ্জায় ডুবতে বসেছিল। তখনও জয়ের জন্য দরকার ছিল ১৫২ রান। অতিথিদের সেখান থেকে একশর কাছে টেনে নেন মোহাম্মদ আমির ২০ রান করে। আর শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে সাজঘরে ফেরা সরফরাজ আহমেদ করেছেন ২৩ রান।

বাকিদের মধ্যে দুই অংকের কোটা স্পর্শ করেছেন কেবল আজহার আলি ১০ ও আহমেদ শেহজাদ ১৪ রানে। ইউনুস খান ৫ ও অধিনায়ক মিসবাহ-উল-হক শূন্য রানে ফিরেছেন।
এর আগে সকালে কেনসিংটন ওভালে দ্বিতীয় ইনিংসে ৯ উইকেটে ২৬৪ রান নিয়ে দিন শুরু করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পরে মাত্র ৪ রান যোগ করেই নিজেদের শেষ উইকেটটি হারায় স্বাগতিকরা। ইয়াসির শাহ ৯৪ রানে ৭ উইকেট নেন। জিততে পাকদের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৮৮ রানের।
আগামী বুধবার সিরিজের শেষ টেস্টটি এখন ট্রফি নির্ধারণী হয়ে দাঁড়াল। এই ম্যাচটি মিসবাহ-ইউনুসের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর মঞ্চও।










