ঈদের ছুটিতে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি পৌর পার্কসহ উপজেলার বিনোদন কেন্দ্র ও দর্শনীয় স্থানগুলোতে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে।
পাঁচবিবি উপজেলার পৌর পার্ক, পাথরঘাটা, লকমা জমিদার বাড়ী ও আটাপাড়া বেইলি ব্রিজ এলাকায় প্রাত্যহিক জীবনের একঘেয়েমি কাটিয়ে একটু আলাদা আমেজে সময় কাটাতে উপজেলা ছাড়াও পার্শ্ববর্তী উপজেলাগুলো থেকেও ছুটে আসছেন নারী-পুরুষ শিশু-কিশোর সহ সব বয়সের মানুষ। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পারিবার পরিজন নিয়ে এ স্থানগুলোতে আনন্দঘন সময় কাটাচ্ছেন দর্শনার্থীরা।
স্থানীয় থিয়েটার ও ভোর হলো সাংস্কৃতিক সংগঠন পৌর পার্কে দর্শনার্থীদের বাড়তি বিনোদন দিতে আয়োজন করেছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
উপজেলার নন্দইল গ্রাম থেকে আসা জীবন হোসেন বলেন,, আমি ঢাকায় চাকরি করি। ঈদের ছুটিতে বাড়ীতে এসে দুর-দুরান্তে বিনোদন কেন্দ্রে যাওয়ার সুযোগ হয় না। তাই একটু বিনোদনের জন্য এখানে আসা। ছোট্ট পরিসরে এখানে ভাল বিনোদনের ব্যবস্থা রয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের আনন্দে মেতে ওঠা দেখে আমার খুব ভালো লেগেছে।
রাধাবাড়ী এলাকার ইমন বলেন, দীর্ঘ এক মাস রোজার পর পার্কে অনুষ্ঠান হচ্ছে তাই ঘুরতে ও দেখতে এসেছি। আমি অনেক আনন্দিত।
মোহাম্মদপুর থেকে পার্কে ঘুরতে আসা শিশু সাদিক বলেন, আজকের আনন্দটা আমাদের খুব ভাল লাগছে। নাগরদোলা, দোলনায় চড়েছি। এখানে গান বাজনা হচ্ছে খুব মজা হচ্ছে।
আয়মারসুলপুর এলাকার তাবাসুম মিম বলেন, পার্কে অনেক খেলনা রয়েছে, খাবার দোকান রয়েছে, ঘুরতে এসে খুব মজা হচ্ছে।
ঢাকা থেকে ঘুরতে আসা দীপ্ত টিভির অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রোডিউসার ও গায়িকা শারমিন আশা স্বর্ণা বলেন, আসলে এখানে দর্শনীয় অনেক স্থানই আছে। আনি পাথরঘাটা, লকমা জমিদার বাড়ী, মৌলানা ভাসানীর শশুড়ালয়, নিমাই শাহের মাজার, উচাই ঢিবি দেখলাম, খুব ভালো লেগেছে। কিন্তু এ স্থানগুলো সংস্কার ও সংরক্ষণের অভাবে আগের জৌলুশ হারিয়েছে।রয়েছে নিরাপত্তা অভাব। দর্শনার্থীদের সুবিধা বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আগামীতে এদিকে নজর দিবেন সে প্রত্যাশা রইলো।
লোক গবেষক আব্দুল মজিদ বলেন, দর্শনীয় ঐতিহাসিক স্থান ও স্থাপনা সংস্কার ও সংরক্ষণের মাধ্যমে বিনোদনের জন্য উন্মুক্ত করা গেলে একদিকে যেমন বাড়বে দর্শনার্থীর সংখ্যা, বাড়বে এলাকার গুরুত্ব, অন্যদিকে সরকার পাবে প্রচুর রাজস্ব।







